পদ্মা নদীতে মিলল গাজীপুরের পাঁচ খুনে অভিযুক্ত ফোরকান মিয়ার
- সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩৩:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
- / 18
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন কন্যা ও শ্যালকসহ পাঁচজনকে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ফোরকান মিয়ার মরদেহ পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পদ্মা সেতু এলাকা থেকে তার ব্যবহৃত ব্যাগ ও পোশাক উদ্ধারের পরই নদীতে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি পাওয়া যায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ঘটনার পর তিনি সেতু থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
গাজীপুরের কাপাসিয়ার রাউতকোনা গ্রামে ঘটে যাওয়া ওই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্ত ফোরকান মিয়ার মরদেহ শেষ পর্যন্ত পদ্মা নদীতেই মিলেছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) তার মরদেহ উদ্ধার করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এর আগে পদ্মা সেতুর ওপর থেকে ফোরকানের একটি ব্যাগ ও কিছু কাপড় উদ্ধার করেছিল পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। পরে যাচাই-বাছাইয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়, সেগুলোই তার ব্যবহৃত সামগ্রী।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক সূত্র জানায়, ঘটনার পর থেকেই ফোরকান আত্মগোপনে ছিলেন। তাকে ধরতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চলছিল। কিন্তু এর মধ্যেই সেতুর ওপর পরিত্যক্ত অবস্থায় তার জিনিসপত্র পাওয়া যায়, যা তদন্তের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
গত ৮ মে দিবাগত রাতে কাপাসিয়া উপজেলার ওই ভাড়া বাসায় স্ত্রী, তিন মেয়ে ও শ্যালককে গলা কেটে হত্যা করেন তিনি—এমন অভিযোগ উঠে আসে। নিহতরা হলেন স্ত্রী শারমিন, তিন কন্যা মীম (১৫), মারিয়া (৮), ফারিয়া (২) এবং শ্যালক রসুল মিয়া।
পরদিন সকালে ফোরকান তার এক আত্মীয়কে ফোন করে হত্যার কথা স্বীকার করে পালানোর ইঙ্গিত দেন বলে জানা যায়। এরপর প্রতিবেশীরা ঘরে গিয়ে বিভীষিকাময় দৃশ্যের মুখোমুখি হন।
ঘটনাস্থলে থাকা আলামত হিসেবে খাবারের কিছু অবশিষ্ট, পানীয়র বোতল ও কিছু কাগজপত্র উদ্ধার করে পুলিশ। সেসব নথির সূত্র ধরেই পারিবারিক বিরোধ ও পূর্বের অভিযোগের বিষয়গুলো সামনে আসে।
তবে শেষ পর্যন্ত তার মৃত্যু আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনো কারণ—এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত কিছু জানায়নি পুলিশ।




































