ঢাকা ১০:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুনে ৪০ হাজার পরিবার পাচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৫:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬
  • / 139

আগামীকাল কড়াইল বস্তির পাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাইলট প্রকল্পের ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। একই সঙ্গে দেশের ১৪টি স্থানে এ কর্মসূচি একযোগে শুরু হবে।

প্রথম ধাপে জুনের মধ্যে ৪০ হাজার পরিবার কার্ড পাবেন। চলতি মাসেই ১০ হাজার, এপ্রিল ও মে মাসে ১০ হাজার করে এবং জুনে বাকি ১০ হাজার বিতরণ করা হবে।

ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পরিবারগুলো মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা নগদ সহায়তা পাবেন। অর্থ সরাসরি নারীর মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে।

কার্ডের সঙ্গে টিসিবি কার্ড সংযুক্ত করে সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্যও পাওয়া যাবে। ভবিষ্যতে শিক্ষা উপবৃত্তি এবং কৃষি ভর্তুকির সুবিধা দেয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। কার্ডটি নারীর নামে ইস্যু করা হবে।

সাতটি শ্রেণির মানুষ অগ্রাধিকার পাবেন—ভূমিহীন, গৃহহীন, প্রতিবন্ধী পরিবারের সদস্য, হিজড়া, বেদে, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং দশমিক ৫ একর বা কম জমির মালিক।

তবে যারা সরকারি পেনশনভোগী, বাড়িতে এসি ব্যবহার করেন, গাড়ি বা বিলাসবহুল সম্পদ রাখেন, সরকারি চাকরিজীবী, বড় ব্যবসার মালিক বা বাণিজ্যিক লাইসেন্সধারী তাদের কার্ড দেওয়া হবে না।

কার্ড ব্যবহার করে ওটিপি যাচাইকরণের মাধ্যমে খাদ্য, নগদ সহায়তা, এবং ভবিষ্যতে শিক্ষা ও কৃষি সুবিধা নেওয়া যাবে। ২০২৮ সালের মধ্যে সামাজিক নিরাপত্তা বাজেট জিডিপির তিন শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যও রয়েছে।

ঈদের আগেই সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার তিনটি গ্রামে কার্ড বিতরণ শুরু হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জুনে ৪০ হাজার পরিবার পাচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড

সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৫:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

আগামীকাল কড়াইল বস্তির পাশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পাইলট প্রকল্পের ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। একই সঙ্গে দেশের ১৪টি স্থানে এ কর্মসূচি একযোগে শুরু হবে।

প্রথম ধাপে জুনের মধ্যে ৪০ হাজার পরিবার কার্ড পাবেন। চলতি মাসেই ১০ হাজার, এপ্রিল ও মে মাসে ১০ হাজার করে এবং জুনে বাকি ১০ হাজার বিতরণ করা হবে।

ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে পরিবারগুলো মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা নগদ সহায়তা পাবেন। অর্থ সরাসরি নারীর মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে।

কার্ডের সঙ্গে টিসিবি কার্ড সংযুক্ত করে সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্যও পাওয়া যাবে। ভবিষ্যতে শিক্ষা উপবৃত্তি এবং কৃষি ভর্তুকির সুবিধা দেয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। কার্ডটি নারীর নামে ইস্যু করা হবে।

সাতটি শ্রেণির মানুষ অগ্রাধিকার পাবেন—ভূমিহীন, গৃহহীন, প্রতিবন্ধী পরিবারের সদস্য, হিজড়া, বেদে, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী এবং দশমিক ৫ একর বা কম জমির মালিক।

তবে যারা সরকারি পেনশনভোগী, বাড়িতে এসি ব্যবহার করেন, গাড়ি বা বিলাসবহুল সম্পদ রাখেন, সরকারি চাকরিজীবী, বড় ব্যবসার মালিক বা বাণিজ্যিক লাইসেন্সধারী তাদের কার্ড দেওয়া হবে না।

কার্ড ব্যবহার করে ওটিপি যাচাইকরণের মাধ্যমে খাদ্য, নগদ সহায়তা, এবং ভবিষ্যতে শিক্ষা ও কৃষি সুবিধা নেওয়া যাবে। ২০২৮ সালের মধ্যে সামাজিক নিরাপত্তা বাজেট জিডিপির তিন শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যও রয়েছে।

ঈদের আগেই সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার তিনটি গ্রামে কার্ড বিতরণ শুরু হবে।