ঢাকা ০৪:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লায় অপ্রতিম হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪৪:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 194

কুমিল্লায় অপ্রতিম হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৩

কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকায় কিশোর ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে (১৩) হত্যার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি সিয়াম (১৯) নামে আরও একজনকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯), মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৫) ও মো. কামরুল হাসান। পুলিশের ভাষ্য, অপ্রতিমের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই তাকে নির্জন পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

পুলিশ জানায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেল সোয়া ৩টার দিকে তুহিন অপ্রতিমকে সঙ্গে নিয়ে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার পাহাড়ঘেরা জঙ্গলে যায়। পরে সেখানে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধারের পর সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তার সঙ্গে থাকা তুহিনকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদে তুহিন অপ্রতিমের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানায় বলে দাবি পুলিশের। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফাহাদকে হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে ফাহাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বন্ধু কামরুল হাসানকেও হেফাজতে নেওয়া হয়। তুহিনের দেখানো মতে তার বাসায় অভিযান চালিয়ে অপ্রতিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার জানান, ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে অপ্রতিমের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এতে অপ্রতিম বাধা দিলে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে তুহিন এবং পরে ফাহাদ ও কামরুল বাঁশের লাঠি দিয়ে অপ্রতিমের মাথায় আঘাত করে। এতে তার মৃত্যু হলে তুহিন মোবাইল ফোনটি নিয়ে ফাহাদ ও কামরুলকে সঙ্গে করে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায় বলে পুলিশের দাবি।

নিহত অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও ব্যবসায়ী কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার দম্পতির একমাত্র সন্তান।

পুলিশ জানিয়েছে, অপ্রতিম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষ করে দ্রুত আদালতে পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কুমিল্লায় অপ্রতিম হত্যার রহস্য উদঘাটন, গ্রেপ্তার ৩

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪৪:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকায় কিশোর ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমকে (১৩) হত্যার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি সিয়াম (১৯) নামে আরও একজনকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯), মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৫) ও মো. কামরুল হাসান। পুলিশের ভাষ্য, অপ্রতিমের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই তাকে নির্জন পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

পুলিশ জানায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেল সোয়া ৩টার দিকে তুহিন অপ্রতিমকে সঙ্গে নিয়ে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার পাহাড়ঘেরা জঙ্গলে যায়। পরে সেখানে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধারের পর সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে তার সঙ্গে থাকা তুহিনকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদে তুহিন অপ্রতিমের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানায় বলে দাবি পুলিশের। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফাহাদকে হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে ফাহাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তার বন্ধু কামরুল হাসানকেও হেফাজতে নেওয়া হয়। তুহিনের দেখানো মতে তার বাসায় অভিযান চালিয়ে অপ্রতিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ সুপার জানান, ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে অপ্রতিমের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এতে অপ্রতিম বাধা দিলে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে তুহিন এবং পরে ফাহাদ ও কামরুল বাঁশের লাঠি দিয়ে অপ্রতিমের মাথায় আঘাত করে। এতে তার মৃত্যু হলে তুহিন মোবাইল ফোনটি নিয়ে ফাহাদ ও কামরুলকে সঙ্গে করে ঘটনাস্থল থেকে চলে যায় বলে পুলিশের দাবি।

নিহত অপ্রতিম কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও ব্যবসায়ী কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার দম্পতির একমাত্র সন্তান।

পুলিশ জানিয়েছে, অপ্রতিম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষ করে দ্রুত আদালতে পুলিশ প্রতিবেদন দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।