ঢাকা ০৪:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানে বিক্ষোভকারীদের বিচার শুরু

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:২১:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 142

ইরানে সরকারের বিরুদ্ধে চলমান বিক্ষোভে আটক ব্যক্তিদের বিচার শুরু হয়েছে। তবে দেশজুড়ে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট এখনও বহাল রয়েছে। প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান, সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ ও বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম-হোসেইন সোমবার যৌথভাবে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম-হোসেইন মোহসেনি-এজেই জানিয়েছেন, ‘সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে বিচার শুরু হয়েছে’ এবং যারা শাস্তি প্রাপ্য, তাদের ছাড় দেওয়া ন্যায়ের পরিপন্থি হবে। তবে বিদেশি প্ররোচনায় বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের ‘ইসলামি সহানুভূতি’ দেওয়া হতে পারে।

বিক্ষোভ শুরু হয় গত ২৮ ডিসেম্বর মুদ্রাস্ফীতি ও নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে। রিয়ালের অবমূল্যায়ন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে ১ ডলারের বিনিময় হার ১ লাখ ৪৫ হাজার রিয়াল। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে হাজারো নিহতের খবর প্রকাশিত হলেও ইরানি কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে সংখ্যা প্রকাশ করেনি।

সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি অভিযোগ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্ররোচনায় আন্দোলন এবং হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছে। এ কারণে ইরানি কর্তৃপক্ষ এখনও ইন্টারনেট সেবা স্থায়ীভাবে চালু করেনি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইরানে বিক্ষোভকারীদের বিচার শুরু

সর্বশেষ আপডেট ১০:২১:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

ইরানে সরকারের বিরুদ্ধে চলমান বিক্ষোভে আটক ব্যক্তিদের বিচার শুরু হয়েছে। তবে দেশজুড়ে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট এখনও বহাল রয়েছে। প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান, সংসদের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ ও বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম-হোসেইন সোমবার যৌথভাবে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম-হোসেইন মোহসেনি-এজেই জানিয়েছেন, ‘সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে বিচার শুরু হয়েছে’ এবং যারা শাস্তি প্রাপ্য, তাদের ছাড় দেওয়া ন্যায়ের পরিপন্থি হবে। তবে বিদেশি প্ররোচনায় বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের ‘ইসলামি সহানুভূতি’ দেওয়া হতে পারে।

বিক্ষোভ শুরু হয় গত ২৮ ডিসেম্বর মুদ্রাস্ফীতি ও নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে। রিয়ালের অবমূল্যায়ন এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে ১ ডলারের বিনিময় হার ১ লাখ ৪৫ হাজার রিয়াল। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে হাজারো নিহতের খবর প্রকাশিত হলেও ইরানি কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে সংখ্যা প্রকাশ করেনি।

সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি অভিযোগ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্ররোচনায় আন্দোলন এবং হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছে। এ কারণে ইরানি কর্তৃপক্ষ এখনও ইন্টারনেট সেবা স্থায়ীভাবে চালু করেনি।