ঢাকা ১২:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আন্দামানে ট্রলারডুবি, বাংলাদেশিসহ ২৫০ জন নিখোঁজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:২০:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / 119

প্রতীকী ছবি

আন্দামান সাগরে একটি ট্রলারডুবির ঘটনায় নারী, পুরুষ ও শিশুসহ অন্তত ২৫০ জন নিখোঁজ হয়েছেন। তাদের মধ্যে রোহিঙ্গা শরণার্থীর পাশাপাশি বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছেন বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এক যৌথ বিবৃতিতে এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে।

জানা যায়, ট্রলারটি টেকনাফ উপকূল থেকে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথে আন্দামান সাগরে বৈরী আবহাওয়া ও উত্তাল ঢেউয়ের মধ্যে পড়ে নৌযানটি ডুবে যায়। ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী বহন করায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেড়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, এ ধরনের দুর্ঘটনা দীর্ঘদিনের বাস্তুচ্যুতি সংকট ও রোহিঙ্গাদের টেকসই সমাধানের অভাবের করুণ প্রতিফলন। রাখাইনে চলমান সহিংসতা এবং অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ তাদের ঝুঁকিপূর্ণ পথে ঠেলে দিচ্ছে।

একই সঙ্গে মানবিক সহায়তা কমে আসা, ক্যাম্পে সীমিত সুযোগ-সুবিধা এবং কর্মসংস্থানের অভাব পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলছে। ফলে অনেকেই ভালো জীবনের আশায় বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রা বেছে নিচ্ছেন।

সংস্থাগুলো সতর্ক করে বলেছে, পাচারকারীদের প্রলোভন ও ভ্রান্ত তথ্যও এ ধরনের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। আন্দামান সাগর ইতোমধ্যে বহু মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে, যা এখন নিয়মিত এক মানবিক সংকটে পরিণত হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি জরুরি আহ্বান জানিয়ে তারা বলেছে, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তায় অর্থায়ন ও সমর্থন বাড়াতে হবে। পাশাপাশি এমন পরিবেশ তৈরি জরুরি, যাতে তারা নিরাপদে ও সম্মানের সঙ্গে নিজ দেশে ফিরতে পারেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আন্দামানে ট্রলারডুবি, বাংলাদেশিসহ ২৫০ জন নিখোঁজ

সর্বশেষ আপডেট ০৯:২০:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

আন্দামান সাগরে একটি ট্রলারডুবির ঘটনায় নারী, পুরুষ ও শিশুসহ অন্তত ২৫০ জন নিখোঁজ হয়েছেন। তাদের মধ্যে রোহিঙ্গা শরণার্থীর পাশাপাশি বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছেন বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এক যৌথ বিবৃতিতে এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে।

জানা যায়, ট্রলারটি টেকনাফ উপকূল থেকে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথে আন্দামান সাগরে বৈরী আবহাওয়া ও উত্তাল ঢেউয়ের মধ্যে পড়ে নৌযানটি ডুবে যায়। ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি যাত্রী বহন করায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেড়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, এ ধরনের দুর্ঘটনা দীর্ঘদিনের বাস্তুচ্যুতি সংকট ও রোহিঙ্গাদের টেকসই সমাধানের অভাবের করুণ প্রতিফলন। রাখাইনে চলমান সহিংসতা এবং অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ তাদের ঝুঁকিপূর্ণ পথে ঠেলে দিচ্ছে।

একই সঙ্গে মানবিক সহায়তা কমে আসা, ক্যাম্পে সীমিত সুযোগ-সুবিধা এবং কর্মসংস্থানের অভাব পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলছে। ফলে অনেকেই ভালো জীবনের আশায় বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রা বেছে নিচ্ছেন।

সংস্থাগুলো সতর্ক করে বলেছে, পাচারকারীদের প্রলোভন ও ভ্রান্ত তথ্যও এ ধরনের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। আন্দামান সাগর ইতোমধ্যে বহু মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে, যা এখন নিয়মিত এক মানবিক সংকটে পরিণত হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি জরুরি আহ্বান জানিয়ে তারা বলেছে, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তায় অর্থায়ন ও সমর্থন বাড়াতে হবে। পাশাপাশি এমন পরিবেশ তৈরি জরুরি, যাতে তারা নিরাপদে ও সম্মানের সঙ্গে নিজ দেশে ফিরতে পারেন।