অনুমোদন ছাড়া ১২ দেশে কর্মী পাঠানো বন্ধ
- সর্বশেষ আপডেট ১১:৫৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
- / 88
ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকার ১২টি দেশে বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। এখন থেকে মন্ত্রণালয়ের নিয়োগানুমতি বা অনুমোদন ছাড়া এসব দেশে যেতে ইচ্ছুক কর্মীদের বহির্গমন ছাড়পত্র দেওয়া হবে না।
বুধবার (৪ নভেম্বর) মন্ত্রণালয়ের কর্মসংস্থান-৩ শাখা থেকে এ নির্দেশনা জারি করা হয়। উপসচিব গাজী মো. শাহেদ আনোয়ার স্বাক্ষরিত চিঠিটি জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) মহাপরিচালকের কাছে পাঠানো হয়েছে।
নতুন নির্দেশনার আওতায় থাকা দেশগুলো হলো; সার্বিয়া, মলদোভা, বেলারুশ, কঙ্গো, রাশিয়া, জাপান, ইরাক, লাওস, ভিয়েতনাম, ক্রোয়েশিয়া, ইউক্রেন ও লিবিয়া।
মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়েছে, তালিকাভুক্ত দেশগুলোতে যেতে ইচ্ছুক কর্মীদের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের নিয়োগানুমতি বা অনুমোদন ছাড়া কোনোভাবেই বহির্গমন ছাড়পত্র ইস্যু করা যাবে না।
যদিও নির্দেশনায় বিধিনিষেধ আরোপের নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করা হয়নি, তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বিদেশে চাকরির নামে প্রতারণা বন্ধ এবং অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তালিকাভুক্ত কয়েকটি দেশে যুদ্ধ ও রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজ করছে। বিশেষ করে রাশিয়া, ইউক্রেন, লিবিয়া, ইরাক ও কঙ্গোতে কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। এসব দেশে অপহরণ, মুক্তিপণ আদায় ও মানব পাচারের ঝুঁকিও রয়েছে।
অন্যদিকে, সার্বিয়া, বেলারুশ, ক্রোয়েশিয়া, মলদোভা, লাওস ও ভিয়েতনামকে কেন্দ্র করে কর্মসংস্থানের প্রলোভন দেখিয়ে মানব পাচারের অভিযোগ রয়েছে। ইউরোপে পাঠানোর কথা বলে এসব দেশে কর্মী নিয়ে গিয়ে অন্য দেশে পাচার, বেতন না দেওয়া এবং বৈধ কাগজপত্র কেড়ে নেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে।
জাপানের ক্ষেত্রেও পর্যটক ও টেকনিক্যাল ইন্টার্ন ভিসায় গিয়ে কর্মীদের নিখোঁজ হওয়া এবং অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয়ের অভিযোগ রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নতুন নির্দেশনার মাধ্যমে তালিকাভুক্ত ১২টি দেশে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া মন্ত্রণালয়ের সরাসরি নজরদারিতে আনা হচ্ছে। ফলে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া কোনো রিক্রুটিং এজেন্সি এসব দেশে কর্মী পাঠানোর ছাড়পত্র পাবে না।






























