ঢাকা ১২:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৯ হাজার লিটার পেট্রোল মজুদ রেখে কিশোরগঞ্জে ফিলিং স্টেশনে বিক্রি বন্ধ

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:১৭:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
  • / 141

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় একটি ফিলিং স্টেশনে বিপুল পরিমাণ পেট্রোল মজুদ থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ রাখার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বাইকারদের মধ্যে চরম ভোগান্তি দেখা দেয়, তবে ডিজেল বিক্রি চালু থাকলেও পেট্রোল সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়।

রবিবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে হোসেনপুর উপজেলার মেসার্স দিদার এন্ড প্রিন্স ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, স্টেশনটিতে ৯ হাজার ১৯২ লিটার পেট্রোল মজুদ রয়েছে। অথচ বিভিন্ন ফুয়েল কার্ডধারী মোটরসাইকেল চালকরা এসে ফিরে যেতে বাধ্য হন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একই ফিলিং স্টেশন থেকে ডিজেল স্বাভাবিকভাবে বিভিন্ন যানবাহনে সরবরাহ করা হলেও পেট্রোল বিক্রি বন্ধ রাখা হয় এবং স্টেশনের সামনে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাইকার অভিযোগ করেন, তারা দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও জ্বালানি না পেয়ে খালি হাতে ফিরে যান।

এ বিষয়ে ফিলিং স্টেশনের এক কর্মচারী সুমন দাবি করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নির্দেশ দেওয়ার পরই পেট্রোল বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে কী কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু বলতে পারেননি।

স্টেশনের অন্য এক কর্মচারী জানান, মজুদ পেট্রোলের পরিমাণ ৯ হাজার ১৯২ লিটার।

এদিকে হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী নাহিদ ইভার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

৯ হাজার লিটার পেট্রোল মজুদ রেখে কিশোরগঞ্জে ফিলিং স্টেশনে বিক্রি বন্ধ

সর্বশেষ আপডেট ০৮:১৭:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় একটি ফিলিং স্টেশনে বিপুল পরিমাণ পেট্রোল মজুদ থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ রাখার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বাইকারদের মধ্যে চরম ভোগান্তি দেখা দেয়, তবে ডিজেল বিক্রি চালু থাকলেও পেট্রোল সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়।

রবিবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে হোসেনপুর উপজেলার মেসার্স দিদার এন্ড প্রিন্স ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, স্টেশনটিতে ৯ হাজার ১৯২ লিটার পেট্রোল মজুদ রয়েছে। অথচ বিভিন্ন ফুয়েল কার্ডধারী মোটরসাইকেল চালকরা এসে ফিরে যেতে বাধ্য হন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একই ফিলিং স্টেশন থেকে ডিজেল স্বাভাবিকভাবে বিভিন্ন যানবাহনে সরবরাহ করা হলেও পেট্রোল বিক্রি বন্ধ রাখা হয় এবং স্টেশনের সামনে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাইকার অভিযোগ করেন, তারা দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও জ্বালানি না পেয়ে খালি হাতে ফিরে যান।

এ বিষয়ে ফিলিং স্টেশনের এক কর্মচারী সুমন দাবি করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নির্দেশ দেওয়ার পরই পেট্রোল বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে কী কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু বলতে পারেননি।

স্টেশনের অন্য এক কর্মচারী জানান, মজুদ পেট্রোলের পরিমাণ ৯ হাজার ১৯২ লিটার।

এদিকে হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী নাহিদ ইভার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।