ঢাকা ০৪:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হামিদুরের ভাস্কর্য,চত্বর পুনঃস্থাপনের দাবি উদীচীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪৪:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • / 100

বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় সংসদ ঝিনাইদহ শহরের প্রবেশমুখে নির্মাণাধীন বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ হামিদুর রহমানের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য ও চত্বর ভেঙে ফেলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই ) এক বিবৃতিতে ঝিনাইদহ শহরের প্রবেশমুখে নির্মাণাধীন বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ হামিদুর রহমানের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য ও চত্বর ভেঙে ফেলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহমুদ সেলিম এবং সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে বলেন, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান কেবল ঝিনাইদহের নন, তিনি সমগ্র জাতির গর্ব এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের এক অনন্য বীর। তাঁর স্মৃতিকে ধারণকারী ভাস্কর্য ও চত্বর যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ, জনমত গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজন ও শহীদ পরিবারের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই অপসারণের উদ্যোগ অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। এ ধরনের পদক্ষেপ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, চেতনা এবং জাতীয় মর্যাদার প্রতি অবমাননার শামিল।

নেতৃবৃন্দ বলেন, একটি জেলার প্রবেশমুখে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য শুধু একটি স্থাপনা নয়; এটি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের প্রতীক। নতুন প্রজন্মের কাছে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বগাথা তুলে ধরতে এ ধরনের স্মারক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই ভাস্কর্যটি অন্যত্র স্থানান্তরের পরিবর্তে যথাযথ নকশা, নিরাপত্তা ও নান্দনিকতা নিশ্চিত করে পূর্বের স্থানেই পুনর্নির্মাণ ও পুনঃস্থাপন করতে হবে।

উদীচী নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ২০২৪ সালের পর একাধিকবার হামলার শিকার হওয়া এই ভাস্কর্যটি ভেঙে ফেলার পরিবর্তে রাষ্ট্রের দায়িত্ব ছিল এটি সংরক্ষণ, সংস্কার এবং যথাযথ মর্যাদায় রক্ষা করা। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান, আগামী সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে শহীদ পরিবারের সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, ইতিহাসবিদ এবং স্থানীয় জনগণের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য ও চত্বরকে একই স্থানে যথাযথ মর্যাদা, নিরাপত্তা ও সৌন্দর্য নিশ্চিত করে দ্রুত পুনঃস্থাপন করতে হবে এবং এ বিষয়ে সকল ধরনের অনিশ্চয়তার অবসান ঘটাতে হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

হামিদুরের ভাস্কর্য,চত্বর পুনঃস্থাপনের দাবি উদীচীর

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪৪:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় সংসদ ঝিনাইদহ শহরের প্রবেশমুখে নির্মাণাধীন বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ হামিদুর রহমানের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য ও চত্বর ভেঙে ফেলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই ) এক বিবৃতিতে ঝিনাইদহ শহরের প্রবেশমুখে নির্মাণাধীন বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ হামিদুর রহমানের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য ও চত্বর ভেঙে ফেলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহমুদ সেলিম এবং সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে বলেন, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান কেবল ঝিনাইদহের নন, তিনি সমগ্র জাতির গর্ব এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের এক অনন্য বীর। তাঁর স্মৃতিকে ধারণকারী ভাস্কর্য ও চত্বর যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ, জনমত গ্রহণ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজন ও শহীদ পরিবারের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই অপসারণের উদ্যোগ অত্যন্ত দুঃখজনক ও নিন্দনীয়। এ ধরনের পদক্ষেপ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, চেতনা এবং জাতীয় মর্যাদার প্রতি অবমাননার শামিল।

নেতৃবৃন্দ বলেন, একটি জেলার প্রবেশমুখে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য শুধু একটি স্থাপনা নয়; এটি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের প্রতীক। নতুন প্রজন্মের কাছে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বগাথা তুলে ধরতে এ ধরনের স্মারক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই ভাস্কর্যটি অন্যত্র স্থানান্তরের পরিবর্তে যথাযথ নকশা, নিরাপত্তা ও নান্দনিকতা নিশ্চিত করে পূর্বের স্থানেই পুনর্নির্মাণ ও পুনঃস্থাপন করতে হবে।

উদীচী নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ২০২৪ সালের পর একাধিকবার হামলার শিকার হওয়া এই ভাস্কর্যটি ভেঙে ফেলার পরিবর্তে রাষ্ট্রের দায়িত্ব ছিল এটি সংরক্ষণ, সংস্কার এবং যথাযথ মর্যাদায় রক্ষা করা। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান, আগামী সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে শহীদ পরিবারের সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, ইতিহাসবিদ এবং স্থানীয় জনগণের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্য ও চত্বরকে একই স্থানে যথাযথ মর্যাদা, নিরাপত্তা ও সৌন্দর্য নিশ্চিত করে দ্রুত পুনঃস্থাপন করতে হবে এবং এ বিষয়ে সকল ধরনের অনিশ্চয়তার অবসান ঘটাতে হবে।