রামিসা হত্যা মামলার দ্রুত রায়ে পুলিশের প্রশংসা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
- সর্বশেষ আপডেট ০৪:২৫:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
- / 25
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দ্রুত তদন্ত, বিচার ও রায় ঘোষণায় পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, জনআকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় এ ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।
পল্লবীর আলোচিত শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলার দ্রুত বিচার ও রায় ঘোষণায় পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, দ্রুত ও দক্ষ তদন্তের ফলে মামলাটি প্রমাণ করা সহজ হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি মামলায় সফল ভূমিকা রাখায় সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করার কথাও জানান তিনি।
এর আগে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি সোহেল রানাকে ৫ লাখ এবং স্বপ্না আক্তারকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে, যা ভুক্তভোগী পরিবারের কাছে প্রদান করা হবে।
আদালত পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেন, ধর্ষণ শুধু একটি পরিবার নয়, পুরো সমাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। মামলার নথি, সুরতহাল প্রতিবেদন এবং আসামির স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
মামলার তথ্যমতে, দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসাকে গত ১৯ মে কৌশলে আসামিদের কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। পরে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা ঘরের ভেতর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে স্বপ্না আক্তারকে আটক এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে।
২০ মে নিহত শিশুর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর দেশব্যাপী ক্ষোভের সৃষ্টি হলে পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করে এবং মাত্র ৫ দিনের মধ্যে চার্জশিট দাখিল করে। ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে মাত্র ৪ কার্যদিবসে মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।































