প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে হামলার নির্দেশের অভিযোগ
- সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫৪:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
- / 14
আকতার হোসেন নামে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালযরে এক সহকারী শিক্ষককে পিটিয়ে আহতের অভিযোগ পাওযা গেছে। শনিবার দুপুরের পর ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচার করিম পাড়া এলাকায় এঘটনা ঘটে।
হামলায় গুরুতর আহত শিক্ষক আকতার হোসেনকে চরফ্যাশন সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সহকারী শিক্ষক আক্তার হোসেন দাবি করছেন প্রধান শিক্ষকের নিন্দেশে তার ওপর এই হামলা হয়েছে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিক্ষক আকতার হোসেন জানান, তিনি চরফ্যাশন উপজেলার দঃ চর আইচা ১৬৮ নং সঃ প্রাঃ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক । এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম ইউসুফ প্রায়ই অনিয়ম করায় তিনি প্রতিবাদ করতেন। সেই সময় তিনি নিজেকে ছাত্রলীগ নেতা পরিচয় দিয়ে তার অনিয়ম চালিয়ে যান।
আবার এখন ১২ ফ্রেরুয়ারি রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় এলে এখন নিজেকে বিএনপির নেতা দাবী করে সেই অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রধান শিক্ষকের এই অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় বিভিন্ন সময়ে আক্তার হোসেনকে নিজে এবং অন্য লোকজন দিয়ে পা ভেঙে ফেলা এবং পিটিয়ে হত্যা করার মতো হুমকি দিয়ে আসছে প্রধান শিক্ষক ।
শিক্ষক আকতার হোসেন দাবি করেন, সর্বশেষ গতকাল ২৭/৬/২৬ তারিখ আক্তার হোসেন স্কুল ছুটির পর বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে করিমপাড়া এলাকায় পৌছলে বাসায় যাওয়ার পথে প্রধান শিক্ষক জাহিদ মাষ্টারের নিন্দেশে তারই ভাগিনা, ভাতিজাসহ ৬/৭ মিলে আক্তার হোসেনকে হত্যার উদ্দেশ্যে অতর্কিত, বর্বরচিত সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে রাস্তায় ফেলে তাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে ।
এই হামলায় সে প্রানে বেচে গেলেও তার উভয় হাতের বিভিন্ন জায়গায় ফেটে যায়।আকতার হোসেনের ভাই রিয়াদ হোসেন বলেন, খবর পেয়ে আমরা রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তি করি।
চরফ্যাশন হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্মরত চিকিৎসক জানান, বেদরক পিটুনিতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম হয়েছে। তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
প্রধান শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম ইউসুফ বলেন, শিক্ষক আকতার হোসেন তার ফেসবুক আইডিতে নিষিদ্ধ সংগঠন আওযামী লীগের বিভিন্ন পোস্ট করেছেন এতে কে বা কারা তার উপর হামলা করেছে তা আমার জানা নেই। আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো মিজানুর রহমান বলেন, শিক্ষক আকতার হোসেন মোবাইল ফোনে তার ওপর হামলার বিষয়টি আমাকে জানিয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দক্ষিণ আইচা থানার ওসি আহসান কবির বলেন, এ বিষয়ে কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
































