ঢাকা ১০:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নোয়াখালীতে পৃথক ঘটনায় গৃহবধূসহ ৩ জনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক, নোয়াখালী
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৫১:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
  • / 59

মরদেহ

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় পৃথক তিনটি ঘটনায় এক গৃহবধূসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ব্র্যাকের কর্মসূচি সহকারী দাউদুল ইসলাম, গৃহবধূ তামান্না আক্তার (২৩) এবং তিন বছর বয়সী শিশু হামিম।

দাউদুল ইসলাম সুবর্ণচরের চরজব্বার ইউনিয়নের কাঞ্চন বাজার শাখায় ব্র্যাকের কর্মসূচি সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি অফিসের পাশের একটি কক্ষে থাকতেন। সোমবার রাতে শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে অফিসের ম্যানেজারকে গেস্ট রুমে থাকার কথা বলেন। পরে গেস্ট রুমের চাবি নিয়ে সেখানে চলে যান।

মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে অফিসের পিয়ন চাবি নিতে গিয়ে গেস্ট রুমে দাউদুলের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। তবে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

নিহত দাউদুল ফেনী সদর উপজেলার এলাহীগঞ্জ বাজার এলাকার আবুল কালামের ছেলে।

অন্যদিকে, চরজব্বার ইউনিয়নের জাহাজমারা গ্রামের রিপনের স্ত্রী তামান্না আক্তার নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস দেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠালে পথে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় তার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ বাড়িতে আনা হলে পুলিশ সেটি উদ্ধার করে।

এদিকে চরআমানউল্যাহ ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে পুকুরের পানিতে ডুবে তিন বছর বয়সী হামিমের মৃত্যু হয়েছে। সে ওই গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে।

চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান জানান, দাউদুল ইসলাম ও তামান্না আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পৃথক অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। আর শিশুটির মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

নোয়াখালীতে পৃথক ঘটনায় গৃহবধূসহ ৩ জনের মৃত্যু

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৫১:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় পৃথক তিনটি ঘটনায় এক গৃহবধূসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ব্র্যাকের কর্মসূচি সহকারী দাউদুল ইসলাম, গৃহবধূ তামান্না আক্তার (২৩) এবং তিন বছর বয়সী শিশু হামিম।

দাউদুল ইসলাম সুবর্ণচরের চরজব্বার ইউনিয়নের কাঞ্চন বাজার শাখায় ব্র্যাকের কর্মসূচি সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি অফিসের পাশের একটি কক্ষে থাকতেন। সোমবার রাতে শারীরিক অসুস্থতার কথা জানিয়ে অফিসের ম্যানেজারকে গেস্ট রুমে থাকার কথা বলেন। পরে গেস্ট রুমের চাবি নিয়ে সেখানে চলে যান।

মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে অফিসের পিয়ন চাবি নিতে গিয়ে গেস্ট রুমে দাউদুলের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। তবে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

নিহত দাউদুল ফেনী সদর উপজেলার এলাহীগঞ্জ বাজার এলাকার আবুল কালামের ছেলে।

অন্যদিকে, চরজব্বার ইউনিয়নের জাহাজমারা গ্রামের রিপনের স্ত্রী তামান্না আক্তার নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস দেন বলে পরিবার সূত্রে জানা গেছে। স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠালে পথে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় তার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ বাড়িতে আনা হলে পুলিশ সেটি উদ্ধার করে।

এদিকে চরআমানউল্যাহ ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে পুকুরের পানিতে ডুবে তিন বছর বয়সী হামিমের মৃত্যু হয়েছে। সে ওই গ্রামের জসিম উদ্দিনের ছেলে।

চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান জানান, দাউদুল ইসলাম ও তামান্না আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পৃথক অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। আর শিশুটির মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।