ঢাকা ১১:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে মাঠ প্রশাসনের সহযোগিতা চাইলেন বাণিজ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
  • / 56

বাজারে দামের অস্থিরতা কমাতে জেলা প্রশাসকদের সক্রিয় ভূমিকা ও কঠোর নজরদারির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

দ্রব্যমূল্যের লাগাম টেনে ধরতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সহযোগিতা চেয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তার মতে, বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কেবল কেন্দ্রীয় উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; মাঠপর্যায়ে প্রশাসনের সক্রিয় উপস্থিতিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এই অবস্থান তুলে ধরেন। আলোচনায় মূলত বাজার তদারকি জোরদার এবং প্রশাসন–নির্বাচিত সরকারের সমন্বিত উদ্যোগের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

মন্ত্রী বলেন, বাজারে দামের ক্ষেত্রে উৎপাদক পর্যায় থেকে খুচরা পর্যায় পর্যন্ত একটি বড় ব্যবধান রয়েছে, বিশেষ করে কৃষিপণ্যের ক্ষেত্রে এটি বেশি স্পষ্ট। দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবধান কমানোর মতো কার্যকর সমন্বিত কাঠামো গড়ে ওঠেনি বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তার ভাষায়, সরকার এখন এমন একটি ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে, যেখানে আমদানি থেকে শুরু করে খুচরা বিক্রি পর্যন্ত পুরো সরবরাহ চেইনকে প্রযুক্তিনির্ভর পর্যবেক্ষণ কাঠামোর মধ্যে আনা হবে। এই প্রক্রিয়ায় বাজারের গতিবিধি নিয়মিত নজরদারিতে রাখা সম্ভব হবে—এমন ধারণা দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া নীতিগত পরিকল্পনার অংশ হিসেবে কৌশলগত মজুত গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। আমদানিনির্ভর পণ্যের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট স্টোরেজ ব্যবস্থা তৈরি করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে, যাতে সংকটকালীন সময়ে সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা যায়। বর্তমান সংরক্ষণ সক্ষমতা যে সীমিত, সেটিও তিনি স্বীকার করেন।

সিন্ডিকেট প্রসঙ্গে সরাসরি একক ব্যাখ্যার বাইরে গিয়ে মন্ত্রী কিছুটা ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। তার মতে, বাজারে সব অস্থিরতার পেছনে শুধু একটি গোষ্ঠীকে দায়ী করা যথাযথ নয়; বরং কাঠামোগত দুর্বলতা এবং ব্যবস্থাপনার অসামঞ্জস্যও দামের ওপর প্রভাব ফেলে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে মাঠ প্রশাসনের সহযোগিতা চাইলেন বাণিজ্যমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

বাজারে দামের অস্থিরতা কমাতে জেলা প্রশাসকদের সক্রিয় ভূমিকা ও কঠোর নজরদারির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

দ্রব্যমূল্যের লাগাম টেনে ধরতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সহযোগিতা চেয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তার মতে, বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কেবল কেন্দ্রীয় উদ্যোগ যথেষ্ট নয়; মাঠপর্যায়ে প্রশাসনের সক্রিয় উপস্থিতিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এই অবস্থান তুলে ধরেন। আলোচনায় মূলত বাজার তদারকি জোরদার এবং প্রশাসন–নির্বাচিত সরকারের সমন্বিত উদ্যোগের বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

মন্ত্রী বলেন, বাজারে দামের ক্ষেত্রে উৎপাদক পর্যায় থেকে খুচরা পর্যায় পর্যন্ত একটি বড় ব্যবধান রয়েছে, বিশেষ করে কৃষিপণ্যের ক্ষেত্রে এটি বেশি স্পষ্ট। দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবধান কমানোর মতো কার্যকর সমন্বিত কাঠামো গড়ে ওঠেনি বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তার ভাষায়, সরকার এখন এমন একটি ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে, যেখানে আমদানি থেকে শুরু করে খুচরা বিক্রি পর্যন্ত পুরো সরবরাহ চেইনকে প্রযুক্তিনির্ভর পর্যবেক্ষণ কাঠামোর মধ্যে আনা হবে। এই প্রক্রিয়ায় বাজারের গতিবিধি নিয়মিত নজরদারিতে রাখা সম্ভব হবে—এমন ধারণা দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া নীতিগত পরিকল্পনার অংশ হিসেবে কৌশলগত মজুত গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। আমদানিনির্ভর পণ্যের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট স্টোরেজ ব্যবস্থা তৈরি করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে, যাতে সংকটকালীন সময়ে সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা যায়। বর্তমান সংরক্ষণ সক্ষমতা যে সীমিত, সেটিও তিনি স্বীকার করেন।

সিন্ডিকেট প্রসঙ্গে সরাসরি একক ব্যাখ্যার বাইরে গিয়ে মন্ত্রী কিছুটা ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। তার মতে, বাজারে সব অস্থিরতার পেছনে শুধু একটি গোষ্ঠীকে দায়ী করা যথাযথ নয়; বরং কাঠামোগত দুর্বলতা এবং ব্যবস্থাপনার অসামঞ্জস্যও দামের ওপর প্রভাব ফেলে।