ঢাকা ১০:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দিল্লি বিমানবন্দরে ঘটনায় ভারতের ব্যাখ্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩৭:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
  • / 20

রণধীর জয়সওয়াল

দিল্লি বিমানবন্দরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের সঙ্গে ঘটে যাওয়া এক ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়েছে ভারত। বিষয়টি ঘিরে দুই দেশের মধ্যে তৈরি হওয়া আলোচনার পর স্পষ্ট অবস্থান জানায় দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, জাহেদ উর রহমান ব্যক্তিগত পাসপোর্ট ব্যবহার করে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। তার ভিসা ছিল সার্ক ভিসা।

ঘটনাটি ঘটে দিল্লি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ, যেখানে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ার সময় তাকে কিছু প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। শুরুতে যাচাই-বাছাই চলায় প্রবেশে বিলম্ব ঘটে। পরে বিস্তারিত যাচাই শেষে তাকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয় বলে দাবি করে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।

এর আগে একটি সম্মেলনে অংশ নিতে তিনি দিল্লিতে পৌঁছান। তবে দীর্ঘ সময় বিমানবন্দরে অপেক্ষার পর পরিস্থিতি অনুকূল না থাকায় তিনি ঢাকা ফিরে যান। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর ঢাকায় আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়, এবং ভারতীয় দূতকে তলব করে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানানো হয়।

পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে অবস্থান পরিষ্কার করে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

দিল্লি বিমানবন্দরে ঘটনায় ভারতের ব্যাখ্যা

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩৭:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

দিল্লি বিমানবন্দরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের সঙ্গে ঘটে যাওয়া এক ঘটনার ব্যাখ্যা দিয়েছে ভারত। বিষয়টি ঘিরে দুই দেশের মধ্যে তৈরি হওয়া আলোচনার পর স্পষ্ট অবস্থান জানায় দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, জাহেদ উর রহমান ব্যক্তিগত পাসপোর্ট ব্যবহার করে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। তার ভিসা ছিল সার্ক ভিসা।

ঘটনাটি ঘটে দিল্লি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ, যেখানে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ার সময় তাকে কিছু প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। শুরুতে যাচাই-বাছাই চলায় প্রবেশে বিলম্ব ঘটে। পরে বিস্তারিত যাচাই শেষে তাকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয় বলে দাবি করে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।

এর আগে একটি সম্মেলনে অংশ নিতে তিনি দিল্লিতে পৌঁছান। তবে দীর্ঘ সময় বিমানবন্দরে অপেক্ষার পর পরিস্থিতি অনুকূল না থাকায় তিনি ঢাকা ফিরে যান। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর ঢাকায় আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়, এবং ভারতীয় দূতকে তলব করে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানানো হয়।

পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে অবস্থান পরিষ্কার করে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।