ঢাকা ০৫:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ওয়েব ক্লোন করে ভুয়া ট্রাফিক মামলা প্রতারণায় গ্রেফতার ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:২৭:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
  • / 12

বিআরটিএর ওয়েবসাইটের আদলে ভুয়া সাইট তৈরি করে ট্রাফিক জরিমানার নামে ব্যাংক তথ্য ও ওটিপি সংগ্রহ করে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎকারী একটি চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। তদন্তে এ পর্যন্ত অন্তত ৭ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ টাকা প্রতারণার তথ্য পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)-এর নামে ভুয়া এসএমএস পাঠিয়ে ট্রাফিক জরিমানা আদায়ের ফাঁদ পেতে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের (সিপিসি) একাধিক দল প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে খুলনা, ফেনী ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. রাব্বি শেখ (২৪), মো. রিয়াদ হোসেন (৩১) ও মো. সাজ্জাদ হোসেন (৩১)-কে গ্রেফতার করে।

তদন্তে জানা যায়, চক্রটি বিআরটিএর ওয়েবসাইটের অনুরূপ একটি ভুয়া ওয়েবসাইট তৈরি করে মোবাইলে এসএমএস পাঠাত। বার্তায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ ও জরিমানার কথা উল্লেখ করে একটি লিংক দেওয়া হতো। সরকারি প্রতিষ্ঠানের নাম দেখে অনেকেই সেটিকে আসল ওয়েবসাইট মনে করে সেখানে প্রবেশ করতেন।

জরিমানা পরিশোধের নামে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে ব্যাংক কার্ড, অ্যাকাউন্ট ও ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা হতো। পরে বিভিন্ন কৌশলে ওটিপি নিয়ে তাদের ব্যাংক হিসাব থেকে অর্থ সরিয়ে নেওয়া হতো।

একটি মামলার এজাহার অনুযায়ী, এক ভুক্তভোগী ট্রাফিক জরিমানার এসএমএস পেয়ে লিংকে প্রবেশ করে তথ্য দেওয়ার পর তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব থেকে ৩ লাখ টাকা অন্য হিসাবে স্থানান্তর হয়ে যায়। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে সিআইডি।

তদন্তে এখন পর্যন্ত একই কৌশলে একাধিক ভুক্তভোগীর কাছ থেকে মোট ৭ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ টাকা আত্মসাতের তথ্য পাওয়া গেছে। গ্রেফতারদের কাছ থেকে প্রতারণা চক্রের কার্যক্রম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।

চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

সিআইডি জনগণকে সতর্ক করে জানিয়েছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানের নামে আসা কোনো এসএমএস বা লিংকের তথ্য যাচাই ছাড়া ব্যবহার করা উচিত নয়। সন্দেহজনক ওয়েবসাইটে কখনোই ব্যাংক কার্ডের তথ্য, পিন নম্বর বা ওটিপি শেয়ার না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ওয়েব ক্লোন করে ভুয়া ট্রাফিক মামলা প্রতারণায় গ্রেফতার ৩

সর্বশেষ আপডেট ০৩:২৭:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

বিআরটিএর ওয়েবসাইটের আদলে ভুয়া সাইট তৈরি করে ট্রাফিক জরিমানার নামে ব্যাংক তথ্য ও ওটিপি সংগ্রহ করে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎকারী একটি চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। তদন্তে এ পর্যন্ত অন্তত ৭ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ টাকা প্রতারণার তথ্য পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)-এর নামে ভুয়া এসএমএস পাঠিয়ে ট্রাফিক জরিমানা আদায়ের ফাঁদ পেতে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের (সিপিসি) একাধিক দল প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে খুলনা, ফেনী ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. রাব্বি শেখ (২৪), মো. রিয়াদ হোসেন (৩১) ও মো. সাজ্জাদ হোসেন (৩১)-কে গ্রেফতার করে।

তদন্তে জানা যায়, চক্রটি বিআরটিএর ওয়েবসাইটের অনুরূপ একটি ভুয়া ওয়েবসাইট তৈরি করে মোবাইলে এসএমএস পাঠাত। বার্তায় ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ ও জরিমানার কথা উল্লেখ করে একটি লিংক দেওয়া হতো। সরকারি প্রতিষ্ঠানের নাম দেখে অনেকেই সেটিকে আসল ওয়েবসাইট মনে করে সেখানে প্রবেশ করতেন।

জরিমানা পরিশোধের নামে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে ব্যাংক কার্ড, অ্যাকাউন্ট ও ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা হতো। পরে বিভিন্ন কৌশলে ওটিপি নিয়ে তাদের ব্যাংক হিসাব থেকে অর্থ সরিয়ে নেওয়া হতো।

একটি মামলার এজাহার অনুযায়ী, এক ভুক্তভোগী ট্রাফিক জরিমানার এসএমএস পেয়ে লিংকে প্রবেশ করে তথ্য দেওয়ার পর তার স্ত্রীর ব্যাংক হিসাব থেকে ৩ লাখ টাকা অন্য হিসাবে স্থানান্তর হয়ে যায়। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে সিআইডি।

তদন্তে এখন পর্যন্ত একই কৌশলে একাধিক ভুক্তভোগীর কাছ থেকে মোট ৭ লাখ ২৫ হাজার ৬০০ টাকা আত্মসাতের তথ্য পাওয়া গেছে। গ্রেফতারদের কাছ থেকে প্রতারণা চক্রের কার্যক্রম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।

চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

সিআইডি জনগণকে সতর্ক করে জানিয়েছে, সরকারি প্রতিষ্ঠানের নামে আসা কোনো এসএমএস বা লিংকের তথ্য যাচাই ছাড়া ব্যবহার করা উচিত নয়। সন্দেহজনক ওয়েবসাইটে কখনোই ব্যাংক কার্ডের তথ্য, পিন নম্বর বা ওটিপি শেয়ার না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।