ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রে পালাল দুই মার্কিন যুদ্ধজাহাজ
- সর্বশেষ আপডেট ০১:১৮:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 34
যুক্তরাষ্ট্রের দুটি যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। তবে হামলায় কোনো মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। এ ঘটনায় কোনো মার্কিন সেনা আহত হওয়ার খবরও পাওয়া যায়নি।
আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্স জানিয়েছে, আঞ্চলিক জলসীমায় থাকা যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমানবাহী রণতরী ও একটি নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা ইরনার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওই যুদ্ধজাহাজ দুটি ইরানি জাহাজকে হয়রানি এবং সমুদ্রপথে অবরোধে অংশ নিচ্ছিল।
আইআরজিসির দাবি, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর যুদ্ধজাহাজ দুটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ‘সংঘর্ষের এলাকা’ ছেড়ে চলে যায়। হামলার বিষয়টি সেন্টকমও স্বীকার করেছে বলে দাবি করেছে ইরানের এই বাহিনী।
তবে সেন্টকমের বক্তব্য ভিন্ন। মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, আঞ্চলিক জলসীমায় টহলরত দুটি যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ইরান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছিল। জাহাজ দুটি হামলা এড়িয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে এবং এতে কোনো মার্কিন সেনা আহত হয়নি।
আইআরজিসি সতর্ক করে বলেছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকলে আরও ‘তীব্র’ জবাব দেওয়া হবে।
এর আগে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) ইরানের আইআরজিসির নৌবাহিনী দাবি করে, ইরানি তেলবাহী জাহাজে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে হরমুজ প্রণালিতে তিনটি তেলবাহী ট্যাংকারসহ বিভিন্ন স্থানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আরও তিনটি জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
অন্যদিকে, সেন্টকম জানিয়েছে, পরবর্তী সময়ে মার্কিন বাহিনী ইরানের তিনটি অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা শুরু করার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। নতুন করে যুদ্ধজাহাজ লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনায় ওই সংঘাত আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠেছে।































