ঢাকা ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইন্দোনেশিয়ার ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ৫১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:০৫:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬
  • / 62

ইন্দোনেশিয়ার ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ৪৭

ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ৫১ জন নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে দেশটির ফ্লোরেস দ্বীপে ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এরপর একের পর এক আফটারশক অনুভূত হয়। উদ্ধারকারী দল বিভিন্ন এলাকায় ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করেছে।

ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া ও ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা জানিয়েছে, স্থানীয় সময় ভোর ৫টার কিছু আগে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১৫ কিলোমিটার গভীরে।

বিবিসি সূত্রে জানা গেছে, ভূমিকম্প ও পরবর্তী আফটারশকে শত শত ভবন গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এখনো পুরো ক্ষয়ক্ষতির চিত্র পাওয়া যায়নি।

দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা (বিএনপিবি) জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কম্পন পশ্চিমে বিমা রিজেন্সি ও বিমা শহর পর্যন্ত অনুভূত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে মাংগারাই প্রদেশ।

প্রাথমিক হিসাবে মাংগারাইয়ে ২৪ জন, পূর্ব মাংগারাইয়ে ১৭ জন, সিক্কা প্রদেশে তিনজন এবং নাগাদা, এন্দে ও পশ্চিম মাংগারাই প্রদেশে অন্তত একজন করে নিহত হয়েছেন। এছাড়া দুজন গুরুতর আহত এবং ১১ জন সামান্য আহত হয়েছেন।

বিএনপিবি জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জরুরি সহায়তা পাঠানো হচ্ছে। এখন পর্যন্ত উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমের ঘাঁটিতে ১০ হাজার ৫০০ প্যাকেজ পৌঁছেছে।

এর মধ্যেই ইন্দোনেশিয়ার অন্য প্রান্তে ৬.৯ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্পের খবর পাওয়া গেছে। পরপর শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঘটনায় ফের আলোচনায় এসেছে ‘রিং অব ফায়ার’ নামে পরিচিত এই ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইন্দোনেশিয়ার ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ৫১

সর্বশেষ আপডেট ১২:০৫:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ৫১ জন নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে দেশটির ফ্লোরেস দ্বীপে ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এরপর একের পর এক আফটারশক অনুভূত হয়। উদ্ধারকারী দল বিভিন্ন এলাকায় ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়াদের উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করেছে।

ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া ও ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা জানিয়েছে, স্থানীয় সময় ভোর ৫টার কিছু আগে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের মাত্র ১৫ কিলোমিটার গভীরে।

বিবিসি সূত্রে জানা গেছে, ভূমিকম্প ও পরবর্তী আফটারশকে শত শত ভবন গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এখনো পুরো ক্ষয়ক্ষতির চিত্র পাওয়া যায়নি।

দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা (বিএনপিবি) জানিয়েছে, ভূমিকম্পের কম্পন পশ্চিমে বিমা রিজেন্সি ও বিমা শহর পর্যন্ত অনুভূত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে মাংগারাই প্রদেশ।

প্রাথমিক হিসাবে মাংগারাইয়ে ২৪ জন, পূর্ব মাংগারাইয়ে ১৭ জন, সিক্কা প্রদেশে তিনজন এবং নাগাদা, এন্দে ও পশ্চিম মাংগারাই প্রদেশে অন্তত একজন করে নিহত হয়েছেন। এছাড়া দুজন গুরুতর আহত এবং ১১ জন সামান্য আহত হয়েছেন।

বিএনপিবি জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় জরুরি সহায়তা পাঠানো হচ্ছে। এখন পর্যন্ত উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমের ঘাঁটিতে ১০ হাজার ৫০০ প্যাকেজ পৌঁছেছে।

এর মধ্যেই ইন্দোনেশিয়ার অন্য প্রান্তে ৬.৯ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্পের খবর পাওয়া গেছে। পরপর শক্তিশালী ভূমিকম্পের ঘটনায় ফের আলোচনায় এসেছে ‘রিং অব ফায়ার’ নামে পরিচিত এই ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল।