ঢাকা ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আসিফের জন্য ঢাকা-১০ চেয়েছিলেন ইউনূস: রাশেদ খান

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:৩১:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 11

আসিফ মাহমুদ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার জন্য ঢাকা-১০ আসন ছেড়ে দিতে জামায়াতে ইসলামীর আমিরকে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফোন করেছিলেন বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন।

রাশেদ খান তার পোস্টে দাবি করেন, আসিফ মাহমুদের জন্য ঢাকা-১০ আসন ছেড়ে দিতে জামায়াতের আমিরের সঙ্গে ড. মুহাম্মদ ইউনূস যোগাযোগ করেছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, জামায়াতের আমির ওই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে প্রয়োজনে আরও দুই-তিনটি আসন ছাড়ার কথা বললেও আসিফ মাহমুদের আসন ছাড়তে রাজি হননি।

রাশেদ খানের দাবি, এনসিপির নেতা নাহিদ ইসলাম বিষয়টি নিয়ে কারও কারও কাছে আক্ষেপও করেছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ও বিতর্কের দায় জামায়াতে ইসলামী নিতে চায়নি বলেই ওই আসন ছাড়তে রাজি হয়নি দলটি।

আসনটি না ছাড়ায় জামায়াতকে ধন্যবাদ জানিয়ে রাশেদ খান বলেন, তিনি বিভিন্ন বিষয়ে জামায়াতের সমালোচনা করলেও এ ক্ষেত্রে দলটির আমিরের অবস্থানকে তিনি সাধুবাদ জানান।

পোস্টে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগও তোলেন রাশেদ খান। তিনি দাবি করেন, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এনসিপির অনেক নেতাকর্মীর কাছেই ‘ওপেন সিক্রেট’। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে তিনি কোনো নথি বা প্রমাণ প্রকাশ করেননি।

রাশেদ খান আরও দাবি করেন, আসিফ মাহমুদ অন্তত একজনকে বড় অঙ্কের অর্থ দিয়েছেন; এমন তথ্য তিনি নিজে জানেন। বিষয়টি একজন উপদেষ্টাকে জানালে ওই উপদেষ্টা অর্থের পরিমাণ নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছিলেন বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, দুদকের কোনো কর্মকর্তার বক্তব্যে শব্দের হেরফের হওয়ায় আসিফ মাহমুদ দুর্নীতির অভিযোগ থেকে দায়মুক্ত হন না। তার দাবি, আসিফ মাহমুদের উচিত ছিল নিজের ভুলের জন্য দুঃখপ্রকাশ করা।

রাশেদ খান আরও বলেন, তিনি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়াকে রাজনৈতিক বিরোধিতা হিসেবে দেখছেন না। তার কাছে থাকা তথ্যের ভিত্তিতে তিনি ভবিষ্যতেও আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতিতে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ করে যাবেন।

পোস্টের শেষ দিকে সাংবাদিকদের বিষয়টি যাচাই করে দেখতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলার আহ্বান জানান রাশেদ খান।

তবে রাশেদ খানের এসব অভিযোগ ও দাবির বিষয়ে আসিফ মাহমুদ, ড. মুহাম্মদ ইউনূস কিংবা জামায়াতে ইসলামীর আমিরের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আসিফের জন্য ঢাকা-১০ চেয়েছিলেন ইউনূস: রাশেদ খান

সর্বশেষ আপডেট ০২:৩১:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার জন্য ঢাকা-১০ আসন ছেড়ে দিতে জামায়াতে ইসলামীর আমিরকে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফোন করেছিলেন বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারী (রাজনৈতিক) ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন।

রাশেদ খান তার পোস্টে দাবি করেন, আসিফ মাহমুদের জন্য ঢাকা-১০ আসন ছেড়ে দিতে জামায়াতের আমিরের সঙ্গে ড. মুহাম্মদ ইউনূস যোগাযোগ করেছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, জামায়াতের আমির ওই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে প্রয়োজনে আরও দুই-তিনটি আসন ছাড়ার কথা বললেও আসিফ মাহমুদের আসন ছাড়তে রাজি হননি।

রাশেদ খানের দাবি, এনসিপির নেতা নাহিদ ইসলাম বিষয়টি নিয়ে কারও কারও কাছে আক্ষেপও করেছিলেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ও বিতর্কের দায় জামায়াতে ইসলামী নিতে চায়নি বলেই ওই আসন ছাড়তে রাজি হয়নি দলটি।

আসনটি না ছাড়ায় জামায়াতকে ধন্যবাদ জানিয়ে রাশেদ খান বলেন, তিনি বিভিন্ন বিষয়ে জামায়াতের সমালোচনা করলেও এ ক্ষেত্রে দলটির আমিরের অবস্থানকে তিনি সাধুবাদ জানান।

পোস্টে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগও তোলেন রাশেদ খান। তিনি দাবি করেন, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এনসিপির অনেক নেতাকর্মীর কাছেই ‘ওপেন সিক্রেট’। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে তিনি কোনো নথি বা প্রমাণ প্রকাশ করেননি।

রাশেদ খান আরও দাবি করেন, আসিফ মাহমুদ অন্তত একজনকে বড় অঙ্কের অর্থ দিয়েছেন; এমন তথ্য তিনি নিজে জানেন। বিষয়টি একজন উপদেষ্টাকে জানালে ওই উপদেষ্টা অর্থের পরিমাণ নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছিলেন বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, দুদকের কোনো কর্মকর্তার বক্তব্যে শব্দের হেরফের হওয়ায় আসিফ মাহমুদ দুর্নীতির অভিযোগ থেকে দায়মুক্ত হন না। তার দাবি, আসিফ মাহমুদের উচিত ছিল নিজের ভুলের জন্য দুঃখপ্রকাশ করা।

রাশেদ খান আরও বলেন, তিনি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়াকে রাজনৈতিক বিরোধিতা হিসেবে দেখছেন না। তার কাছে থাকা তথ্যের ভিত্তিতে তিনি ভবিষ্যতেও আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতিতে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ করে যাবেন।

পোস্টের শেষ দিকে সাংবাদিকদের বিষয়টি যাচাই করে দেখতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলার আহ্বান জানান রাশেদ খান।

তবে রাশেদ খানের এসব অভিযোগ ও দাবির বিষয়ে আসিফ মাহমুদ, ড. মুহাম্মদ ইউনূস কিংবা জামায়াতে ইসলামীর আমিরের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।