অভিযোগ আব্দুল কাদেরের
ডাকসু জিএস ফরহাদের কথায় ছাত্রলীগের ছায়া
- সর্বশেষ আপডেট ১১:০৫:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 214
ডাকসু জিএস এস এম ফরহাদকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এবার সেই বিতর্ক উসকে দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা আব্দুল কাদের। তিনি দবি করেন, ছাত্রলীগের নেতাদের মতোই ঘটনার জিন্নার ছবির বিষয়টি ভিন্ন ন্যারেটিভ দাঁড় করিয়ে মূল বিষয় আড়াল করার চেষ্টা করছেন ডাকসু জিএস ফরহাদ।
কাদের তার ফেসবুকে লিখেন, সমাজকল্যাণ ইন্সটিটিউট ছাত্রলীগের ছয় নাম্বার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এস এম ফরহাদ, যে এখনো তার ছাত্রলীগের পদ থেকে পদত্যাগ করে নাই, ছাত্রলীগের সাদ্দামের সাথে তার হুবহু মিল আছে। সাদ্দাম কনফিডেন্সের সাথে অনর্গল মিথ্যা বলতে পারতো। ফরহাদও কনফিডেন্সের সাথে মিথ্যা বলতে পারে কিন্তু অনর্গল না; মাঝেমধ্যে আটকে যায়। তফাৎ এতোটুকুই।
জিন্নাহ ইস্যুতে এতোদিন এক ন্যারেটিভ দেখে আসলেও হঠাৎ করে ফরহাদ আজকে এসে ভিন্ন ন্যারেটিভ দাঁড় করাইলো। তারা নাকি জিন্নাহর নিন্দিত বক্তব্যের জন্য তিরস্কার হিসেবে এমন ছবি টানাইছে। কিন্তু জিন্নাহর ছবি তো টানাইছে মুক্তিযোদ্ধা সম্পাদক জুমা। আর এই জুমা ও তার ইনকিলাব মঞ্চ এবং ফরহাদের সাঙ্গপাঙ্গরা ক’দিন ধরে তো জিন্নাহকে গ্লোরিফাই করে আসছে; তাহলে সেই জুমা তিরস্কারের জন্য জিন্নাহর ছবি টানাবে, এটা যুক্তিযুক্ত? আর উদ্দেশ্য এমন হলে জিন্নাহর সাথে সাথে একাত্তরের স্বাধীনতা বিরোধী জমাতি রাজাকারদের ছবি টানায়নি কেন? ফরহাদরা যে এসব লেইম যুক্তি দিচ্ছে সেসব ধোপে টিকবে? নাকি তারা নিজেদেরকে একমাত্র চালাক আর দুনিয়ার তাবৎ মানুষকে ভোদাই ভাবে!
এমন মনোভাব আর চরিত্র ছিল ছাত্রলীগের। ২২ সালে টিএসসিতে কাওয়ালীর প্রোগ্রামে ছাত্রলীগ হামলা করে ন্যারেটিভ দিছিল যে, কাওয়ালি প্রোগ্রামে নারী থাকবে কী থাকবে না, সেটা নিয়ে বিরোধের জেরে আয়োজকরা দুই ভাগ হয়ে নিজেদের মধ্যে মারামারি করছে! আরেকবার একটা প্রোগ্রামে টিএসসিতে আমাদের উপর হা’ম’লা ক’রে ছাত্রলীগ। হা’ম’লার পর পরই ছাত্রলীগের সৈকত মিডিয়ায় এসে বলে, “আমরা দুই গ্রুপ নাকি নোয়াখালী বিভাগ চাই আর কুমিল্লা বিভাগ চাই নিয়ে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে নিজেরা নিজেরা মারামারি করছি!

এসব ছিল বিগত আমলে ছাত্রলীগের অপকর্ম আড়াল করার খোঁড়া যুক্তি। এই আমলে ফরহাদরাও সেইম যুক্তি দিচ্ছেন। ফরহাদরাও নিজেদেরকে ছাত্রলীগের মতো একমাত্র চালাক মনে করেন। ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের উত্তাল সময়ে একবার ফরহাদের সাথে আলাপকালে বলছিলাম, আপনাদের তো হল কমিটি আছে, সেগুলা হয় প্রকাশ করেন না হয় বিলুপ্ত করে দেন। প্রতিত্তোরে তিনি বলছিলেন, “ প্রকাশ করতে পারবো না। আমাদের হল কমিটি যে আছে সেটা আমরা স্বীকার না করলেই হবে। আমরা স্বীকার না করলে কেউ কখনো এই ব্যাপারে কিছু করতে পারবে না।” এই হচ্ছে তাদের মনোভাব।
এমন মনোভাবের পাশাপাশি ফরহাদ সাহেবের হাতে পাওয়ারও আছে। ডাকসুর মোটামুটি সব সিদ্ধান্ত নাকি তিনি একাই নেন। ঢাবি শিবির থেকে বিদায় নিলেও সাংবাদিক সমিতির নির্বাচন, DUDS সহ টিএসসি ভিত্তিক অনেক সংগঠনের নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষমতা এখনো তার হাতেই আছে।






























