খাগড়াছড়িতে পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ইউপিডিএফের দুই সদস্য নিহত
- সর্বশেষ আপডেট ০৬:২০:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
- / 41
পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ খাগড়াছড়িতে ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) সশস্ত্র গ্রুপের দুইজন সদস্য নিহত হয়েছেন। তাদের একজন ববিন ত্রিপুরা, অন্যজন সুজন চাকমা। তারা প্রসীতখীসা সমর্থিত বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, রামগড়-মাটিরাঙ্গা সীমান্তের তৈকাতাং নামক এলাকায় বুধবার (২৪ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ `বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর জনি ত্রিপুরা (২৯) নামে ইউপিডিএফের এক সদস্যকে আটক ও একটি একে-৪৭ রাইফেল উদ্ধার করেছে নিরাপত্তাবাহিনী।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার মাটিরাঙ্গার দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দীঘিনালায় জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সঙ্গে ইউপিডিএফের সশস্ত্র গ্রুপের সঙ্গে পৃথক বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয় ববিন ত্রিপুরা (৩২) নামে একজন।
রামগড় সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওবাইন জানান, ঘটনাস্থল মাটিরাঙ্গা থানার অধীনে হওয়ায় ওই থানার পুলিশ মরদেহ উদ্ধারে গেছে।
এদিকে ইউপিডিএফের প্রসীত গ্রুপের মুখপাত্র ও জেলা সংগঠক অংগ্য মারমা সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে নিহত ববিন ত্রিপুরাকে তাদের সংগঠনের সদস্য বলে স্বীকার করেছে।
মাটিরাঙ্গা থানার ওসি মো. শাহেদ উদ্দিন বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টায় মুঠোফোনে সংবাদমাধ্যমকে জানান, ঘটনাস্থল অত্যন্ত দুর্গম। ওখান থেকে মরদেহ উদ্ধার করে আনতে সময় লাগবে।
এছাড়া একই দিন দীঘিনালা উপজেলার বাবুছড়ার মুড়োপাড়া এলাকায় জেএসএস ও ইউপিডিএফ’র মধ্যে বুধবার দুপুরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দুপুর পৌনে ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত এ ঘটনায় সুজন চাকমা নামে এক ইউপিডিএফ সদস্য নিহত হয়েছে। তিনি কবাখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের তারাবন্যা গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
দীঘিনালা থানার ওসি ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধারের পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে।
এদিকে ইউপিডিএফের প্রসীত গ্রুপের মুখপাত্র ও জেলা সংগঠক অংগ্য মারমা সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে ‘গোলাগুলির’ কথা অস্বীকার করে এসব ঘটনাকে ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’ বলে দাবি করেছেন।

































