‘১০ বিডিআর সদস্যকে হত্যা করেন জিয়াউল’— ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য
- সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩১:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬
- / 25
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন তার সাবেক সহকর্মী ও সেনা কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস। তিনি দাবি করেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড-পরবর্তী ‘অপারেশন রেবেল হান্ট’-এ প্রায় ১০ জন বিডিআর সদস্যকে হত্যা করা হয়েছিল।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সংঘটিত শতাধিক গুম ও হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন তার সাবেক সহকর্মী ও সেনা কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস।
রোববার (২১ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বেঞ্চে তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।
সাক্ষ্যে ইমরুল কায়েস বলেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পর পরিচালিত ‘অপারেশন রেবেল হান্ট’-এ প্রায় ১০ জন বিডিআর সদস্যকে ইনজেকশন প্রয়োগের পর বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় জিয়াউল আহসান জড়িত ছিলেন বলে তিনি দাবি করেন।
জবানবন্দিতে ইমরুল কায়েস বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত একাধিক হত্যাকাণ্ডের বর্ণনা দেন এবং সেসব ঘটনার সঙ্গে জিয়াউল আহসানের সম্পৃক্ততার অভিযোগ তোলেন।
এর আগে চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ২০১১ সালের ১১ জুলাই গাজীপুরের পুবাইলে তিনজনকে হত্যা করা হয়। এছাড়া ২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে বরগুনায় ৫০ জন এবং একই সময়ে আরও ৫০ জনকে হত্যার অভিযোগও আনা হয়েছে।



































