ফেনীতে আড়াই ঘণ্টা থমকে রইল মেঘনা এক্সপ্রেস
- সর্বশেষ আপডেট ০১:১৫:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
- / 31
চাঁদপুর থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রাম অভিমুখী ‘মেঘনা এক্সপ্রেস’ ট্রেনের ইঞ্জিনে আকস্মিক যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় ফেনী রেলওয়ে স্টেশনে প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে আটকে ছিলেন অন্তত ৮০০ যাত্রী। শনিবার (২০ জুন) সকাল ৮টা ২২ মিনিটের দিকে ট্রেনটি যখন ফেনী জংশনে প্রবেশ করছিল, ঠিক তখনই এর ইঞ্জিন থেকে হঠাৎ ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়।
রেলওয়ে সূত্রের খবর অনুযায়ী, স্টেশনে পৌঁছানোর পর ট্রেনের ইঞ্জিনের মোটরে বড় ধরনের কারিগরি গোলযোগ ধরা পড়ে। একপর্যায়ে মোটরের ভেতর আগুনের আভাস বা স্ফুলিঙ্গ দেখা গেলে বড় দুর্ঘটনা এড়াতে ট্রেনটিকে দ্রুত স্টেশনের ডাউন লাইনে থামিয়ে দেওয়া হয়। দীর্ঘ সময় ট্রেনটি লাইনে দাঁড়িয়ে থাকায় সাধারণ যাত্রীদের পোহাতে হয়েছে চরম দুর্ভোগ, যার ফলে অনেকেই বাধ্য হয়ে ট্রেন ছেড়ে সড়কপথে তাঁদের গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
লাকসাম থেকে চট্টগ্রামগামী যাত্রী এনামুল হক জানান যে, তিনি সকাল ৭টা ১৫ মিনিটে ট্রেনে উঠেছিলেন কিন্তু ফেনীতে এসে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তাঁদের বসে থাকতে হয়েছে। রাশেদা বেগম নামের আরেক যাত্রী দুই সন্তান নিয়ে আটকে পড়ার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এতক্ষণে তাঁদের চট্টগ্রামে পৌঁছে যাওয়ার কথা ছিল কিন্তু দীর্ঘক্ষণ স্টেশনে আটকে থেকে চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছেন তাঁরা।
ফেনী রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ হারুন জানিয়েছেন যে, ক্ষতিগ্রস্ত ইঞ্জিনটি লাইনে বিকল হয়ে যাওয়ার পর চট্টগ্রাম থেকে একটি বিকল্প ইঞ্জিন আনার ব্যবস্থা করা হয় এবং খবর পাওয়া পর্যন্ত সেটি ফৌজদারহাট এলাকা অতিক্রম করেছিল।
স্টেশন মাস্টার আরও জানান যে, বিকল ইঞ্জিনটি সরিয়ে বিকল্প ইঞ্জিন যুক্ত করার পর ট্রেনটি চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দেবে। এদিকে ফেনী স্টেশন থেকে যেসকল যাত্রীদের এই ট্রেনে ওঠার কথা ছিল, তাঁদের কেউ কেউ পরিস্থিতি দেখে টিকিট ফেরত দিয়ে বিকল্প যানবাহনে চলে গেছেন। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, মেঘনা এক্সপ্রেস একটি লাইনে বিকল হয়ে থাকলেও স্টেশনের পাশের অন্য দুটি লাইন সম্পূর্ণ সচল ছিল, যার ফলে ওই রুট দিয়ে অন্যান্য ট্রেন চলাচল একেবারেই স্বাভাবিক ছিল।

































