ঢাকা ০৩:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে জামালপুরের দুই যুবক নিহত

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩১:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
  • / 95

উন্নত জীবনের আশায় দালালের মাধ্যমে রাশিয়ায় গিয়ে শেষ পর্যন্ত যুদ্ধক্ষেত্রে জড়িয়ে পড়েন জামালপুরের দুই যুবক। ইউক্রেনে ড্রোন হামলায় তাদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে পরিবার।

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার চর গুজামানিকা গ্রামের মাফল মিয়া (২৪) ও রায়েরছড়া গ্রামের মো. আরিফ মিয়া (৩০) রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে গিয়ে নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্র ও পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, গত এপ্রিলে তারা দালালের মাধ্যমে কাজের আশায় রাশিয়ায় যান। শুরুতে রাজমিস্ত্রির কাজের আশ্বাস দেওয়া হলেও পরে তাদের রুশ সেনাবাহিনীতে যুক্ত করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পরিবারের ভাষ্য, বিদেশে যাওয়ার পর তাদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল অনিয়মিত। মাঝেমধ্যে ফোনে কথা হলেও পরে জানা যায়, তাদের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়েছে। সম্প্রতি পৃথক স্থানে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় তারা প্রাণ হারান।

নিহত মাফল মিয়ার বড় বোন কণিকা আক্তার বলেন, সংসারের অভাব ঘোচাতে তার ভাই বিদেশে গিয়েছিল। কিন্তু কাজের বদলে তাকে যুদ্ধে পাঠানো হয় বলে তিনি দাবি করেন। পরিবারের পক্ষ থেকে লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে আরিফ মিয়া আগে আনসার বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন বলে জানা গেছে। পরে চাকরি ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমান। স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধি জানান, তাকেও কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়।

মাদারগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বিষয়টি সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি। সত্যতা নিশ্চিত হলে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সহায়তা দেওয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে জামালপুরের দুই যুবক নিহত

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩১:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

উন্নত জীবনের আশায় দালালের মাধ্যমে রাশিয়ায় গিয়ে শেষ পর্যন্ত যুদ্ধক্ষেত্রে জড়িয়ে পড়েন জামালপুরের দুই যুবক। ইউক্রেনে ড্রোন হামলায় তাদের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে পরিবার।

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার চর গুজামানিকা গ্রামের মাফল মিয়া (২৪) ও রায়েরছড়া গ্রামের মো. আরিফ মিয়া (৩০) রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে গিয়ে নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্র ও পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, গত এপ্রিলে তারা দালালের মাধ্যমে কাজের আশায় রাশিয়ায় যান। শুরুতে রাজমিস্ত্রির কাজের আশ্বাস দেওয়া হলেও পরে তাদের রুশ সেনাবাহিনীতে যুক্ত করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পরিবারের ভাষ্য, বিদেশে যাওয়ার পর তাদের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল অনিয়মিত। মাঝেমধ্যে ফোনে কথা হলেও পরে জানা যায়, তাদের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়েছে। সম্প্রতি পৃথক স্থানে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় তারা প্রাণ হারান।

নিহত মাফল মিয়ার বড় বোন কণিকা আক্তার বলেন, সংসারের অভাব ঘোচাতে তার ভাই বিদেশে গিয়েছিল। কিন্তু কাজের বদলে তাকে যুদ্ধে পাঠানো হয় বলে তিনি দাবি করেন। পরিবারের পক্ষ থেকে লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে আরিফ মিয়া আগে আনসার বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন বলে জানা গেছে। পরে চাকরি ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমান। স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধি জানান, তাকেও কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়।

মাদারগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বিষয়টি সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি। সত্যতা নিশ্চিত হলে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সহায়তা দেওয়া হবে।