ঢাকা ০৪:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আর্থিক খাত বিকেন্দ্রীকরণ করছে সরকার: অর্থমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:৫৯:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
  • / 30

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী (সংগৃহীত ছবি)

দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন গতিশীল করতে খুব দ্রুত শেয়ারবাজার, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং ব্যাংকসহ পুরো আর্থিক খাতকে বিকেন্দ্রীকরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বুধবার (২০ মে) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল আয়োজিত এক বিশেষ সম্মেলনে তিনি এই ঘোষণা দেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অর্থবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর অতীতে ভুয়া আর্থিক রিপোর্টের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের প্রতারিত করা এবং যাচাই-বাছাই ছাড়া বড় ঋণ দিয়ে ব্যাংকগুলোকে খেলাপি করার তীব্র সমালোচনা করেন।

বিগত কয়েক বছরের নড়বড়ে অর্থনৈতিক অবস্থা সামাল দিতে এবং ভেঙে পড়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনর্গঠন করতে একগুচ্ছ নতুন সংস্কারের ঘোষণা দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। দেশের ব্যাংকিং খাত ও রাজস্ব ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে এই নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মূলত আর্থিক খাত বিকেন্দ্রীকরণ করছে সরকার: অর্থমন্ত্রী এমন বক্তব্য দেওয়ার পর থেকে ব্যবসায়ী মহলে এক নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, কোনো একক ব্যক্তি একচেটিয়াভাবে ব্যাংকের ওপর নিজের মালিকানা দাবি করতে পারবেন না।

অর্থমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করেন যে, ব্যাংকের প্রকৃত মালিক হলেন সাধারণ শেয়ারহোল্ডাররা এবং এর সমস্ত অর্থের মূল দাবিদার আমানতকারী জনগণ। বর্তমানে আর্থিক খাত বিকেন্দ্রীকরণ করছে সরকার: অর্থমন্ত্রী সংক্রান্ত নতুন নির্দেশনার আলোকে জানা যায়, অতীতে কিছু প্রভাবশালী গোষ্ঠীর কারণে দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো পুরোপুরি অকার্যকর হয়ে পড়েছিল। এই প্রাতিষ্ঠানিক অস্থিরতা কাটাতে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণের পরিবর্তে কাজের পরিধি ও ক্ষমতা তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।

একই সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা বিগত বছরগুলোর খামখেয়ালিপূর্ণ ও ত্রুটিপূর্ণ অডিট রিপোর্টের সমালোচনা করেন। বর্তমানে আর্থিক খাত বিকেন্দ্রীকরণ করছে সরকার: অর্থমন্ত্রী খবরের পাশাপাশি রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, সম্পদের সঠিক মূল্যায়ন না করে বড় বড় ঋণ ছাড় করায় ব্যাংকিং খাতে বড় কেলেঙ্কারি ও খেলাপির পাহাড় জমেছে। পরিশেষে বলা যায়, আগামী দিনে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে এবং জালিয়াতি রুখতে প্রতিটি আর্থিক রিপোর্টের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আর্থিক খাত বিকেন্দ্রীকরণ করছে সরকার: অর্থমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ০২:৫৯:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন গতিশীল করতে খুব দ্রুত শেয়ারবাজার, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং ব্যাংকসহ পুরো আর্থিক খাতকে বিকেন্দ্রীকরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বুধবার (২০ মে) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিল আয়োজিত এক বিশেষ সম্মেলনে তিনি এই ঘোষণা দেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অর্থবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর অতীতে ভুয়া আর্থিক রিপোর্টের মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের প্রতারিত করা এবং যাচাই-বাছাই ছাড়া বড় ঋণ দিয়ে ব্যাংকগুলোকে খেলাপি করার তীব্র সমালোচনা করেন।

বিগত কয়েক বছরের নড়বড়ে অর্থনৈতিক অবস্থা সামাল দিতে এবং ভেঙে পড়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনর্গঠন করতে একগুচ্ছ নতুন সংস্কারের ঘোষণা দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। দেশের ব্যাংকিং খাত ও রাজস্ব ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে এই নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মূলত আর্থিক খাত বিকেন্দ্রীকরণ করছে সরকার: অর্থমন্ত্রী এমন বক্তব্য দেওয়ার পর থেকে ব্যবসায়ী মহলে এক নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, কোনো একক ব্যক্তি একচেটিয়াভাবে ব্যাংকের ওপর নিজের মালিকানা দাবি করতে পারবেন না।

অর্থমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট করেন যে, ব্যাংকের প্রকৃত মালিক হলেন সাধারণ শেয়ারহোল্ডাররা এবং এর সমস্ত অর্থের মূল দাবিদার আমানতকারী জনগণ। বর্তমানে আর্থিক খাত বিকেন্দ্রীকরণ করছে সরকার: অর্থমন্ত্রী সংক্রান্ত নতুন নির্দেশনার আলোকে জানা যায়, অতীতে কিছু প্রভাবশালী গোষ্ঠীর কারণে দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো পুরোপুরি অকার্যকর হয়ে পড়েছিল। এই প্রাতিষ্ঠানিক অস্থিরতা কাটাতে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণের পরিবর্তে কাজের পরিধি ও ক্ষমতা তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।

একই সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা বিগত বছরগুলোর খামখেয়ালিপূর্ণ ও ত্রুটিপূর্ণ অডিট রিপোর্টের সমালোচনা করেন। বর্তমানে আর্থিক খাত বিকেন্দ্রীকরণ করছে সরকার: অর্থমন্ত্রী খবরের পাশাপাশি রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, সম্পদের সঠিক মূল্যায়ন না করে বড় বড় ঋণ ছাড় করায় ব্যাংকিং খাতে বড় কেলেঙ্কারি ও খেলাপির পাহাড় জমেছে। পরিশেষে বলা যায়, আগামী দিনে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে এবং জালিয়াতি রুখতে প্রতিটি আর্থিক রিপোর্টের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।