ঢাকা ০৪:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাট রফতানি বাড়ানোর পরিকল্পনা সরকারের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪৭:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
  • / 25

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বন্ধ পাটকল। ছবি সংগৃহীত

দেশের পাট খাতকে আবারও বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের বড় উৎসে পরিণত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। আধুনিক প্রযুক্তি, উন্নত বীজ উৎপাদন এবং বহুমুখী পাটপণ্যের বাজার সম্প্রসারণের মাধ্যমে রফতানি আয় কয়েকগুণ বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর ফার্মগেটে আয়োজিত ‘বহুমুখী পাটপণ্য মেলা-২০২৬’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বর্তমানে পাট খাত থেকে বছরে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার আয় হলেও সঠিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে তা পাঁচ থেকে সাত বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব।

তিনি জানান, স্বাধীনতার পর একসময় দেশের মোট রফতানি আয়ের বড় অংশই আসত পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই অবদান কমে গেছে। হারানো অবস্থান ফিরিয়ে আনতে সরকার এখন পাট খাতের আধুনিকায়ন ও বহুমুখীকরণে গুরুত্ব দিচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য দেশে উন্নতমানের পাটবীজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়া জরুরি। বর্তমানে চাহিদার বড় অংশ আমদানির মাধ্যমে পূরণ করতে হচ্ছে। এ নির্ভরতা কমাতে দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে নতুন ডিজাইন, বহুমুখী পণ্য এবং আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণে জোর দেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে গবেষণা ও প্রযুক্তি উন্নয়নে বিনিয়োগও বাড়ানো হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম বলেন, সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে পাট শিল্পের পুরোনো গৌরব ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এতে বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়ার পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিতেও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

পাঁচ দিনব্যাপী এ মেলা আগামী ২৩ মে পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পাট রফতানি বাড়ানোর পরিকল্পনা সরকারের

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪৭:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

দেশের পাট খাতকে আবারও বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের বড় উৎসে পরিণত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। আধুনিক প্রযুক্তি, উন্নত বীজ উৎপাদন এবং বহুমুখী পাটপণ্যের বাজার সম্প্রসারণের মাধ্যমে রফতানি আয় কয়েকগুণ বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর ফার্মগেটে আয়োজিত ‘বহুমুখী পাটপণ্য মেলা-২০২৬’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বর্তমানে পাট খাত থেকে বছরে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার আয় হলেও সঠিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গেলে তা পাঁচ থেকে সাত বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব।

তিনি জানান, স্বাধীনতার পর একসময় দেশের মোট রফতানি আয়ের বড় অংশই আসত পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই অবদান কমে গেছে। হারানো অবস্থান ফিরিয়ে আনতে সরকার এখন পাট খাতের আধুনিকায়ন ও বহুমুখীকরণে গুরুত্ব দিচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, টেকসই উন্নয়নের জন্য দেশে উন্নতমানের পাটবীজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়া জরুরি। বর্তমানে চাহিদার বড় অংশ আমদানির মাধ্যমে পূরণ করতে হচ্ছে। এ নির্ভরতা কমাতে দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে নতুন ডিজাইন, বহুমুখী পণ্য এবং আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণে জোর দেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে গবেষণা ও প্রযুক্তি উন্নয়নে বিনিয়োগও বাড়ানো হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরিফুল আলম বলেন, সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে পাট শিল্পের পুরোনো গৌরব ফিরিয়ে আনা সম্ভব। এতে বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়ার পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতিতেও নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

পাঁচ দিনব্যাপী এ মেলা আগামী ২৩ মে পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।