ঢাকা ০৩:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে বিরোধদলীয় নেতার ক্ষোভ

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:৩১:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
  • / 21

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান

স্বাধীন বিচার বিভাগীয় সচিবালয় বিলুপ্তির সরকারি সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা ও গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার (২০ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি একে ‘স্বাধীন বিচার বিভাগীয় সচিবালয়ের অপমৃত্যু’ বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি অভিযোগ করেন, আদালতের ওপর রাজনৈতিক কর্তৃত্ব ও প্রভাব নিরঙ্কুশ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা বিচার বিভাগকে শক্তিশালী করার সরকারি প্রতিশ্রুতির সম্পূর্ণ পরিপন্থী।

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বন্ধ করে বিচারকদের আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করার প্রজ্ঞাপন জারির পর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। সরকারের এই আকস্মিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এবার প্রকাশ্য অবস্থান নিলেন বিরোধীদলীয় প্রধান। মূলত বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে বিরোধদলীয় নেতার ক্ষোভ প্রকাশের পর আইনি স্বায়ত্তশাসন ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের বিষয়টি নতুন করে সাধারণ মানুষের আলোচনায় চলে এসেছে। তিনি প্রশাসনের এই একতরফা পদক্ষেপকে ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবে দেখছেন।

জামায়াতের আমির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, মঙ্গলবার রাতারাতি প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে স্বাধীন আদালত প্রশাসনের টুঁটি চেপে ধরা হয়েছে। বর্তমানে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে বিরোধদলীয় নেতার ক্ষোভ সংক্রান্ত খবরের বরাতে জানা যায়, ডা. শফিকুর রহমান স্পষ্ট ভাষায় লিখেছেন, এর মাধ্যমে আদালতের ওপর রাজনৈতিক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করার স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হলো। অথচ এই শাসনব্যবস্থা চালুর শুরুতে বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণ স্বাধীন করার জোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে বিরোধদলীয় নেতার ক্ষোভ
ড. শফিকুর রহমানের ফেসবুক পোস্ট

ডা. শফিকুর রহমান তাঁর পোস্টের শেষ অংশে এই পুরো ঘটনাটিকে ‘বিধিবাম’ বলে উল্লেখ করে দুঃখ প্রকাশ করেন। বর্তমানে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে বিরোধদলীয় নেতার ক্ষোভ সৃষ্টির পাশাপাশি তিনি দেশের এই বিদ্যমান প্রশাসনিক অপসংস্কৃতিকে তীব্রভাবে ঘৃণা করার কথা জানান। পরিশেষে বলা যায়, এই দমনমূলক ব্যবস্থার একদিন অবসান ঘটবে এবং বাংলার মাটিতেই বিচার বিভাগ তার পূর্ণ মর্যাদা ফিরে পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ফেসবুকে করা ড. শফিকুর রহমানের করা পোস্ট
ডা. শফিকুর রহমানের এই পোস্ট

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে বিরোধদলীয় নেতার ক্ষোভ

সর্বশেষ আপডেট ০২:৩১:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

স্বাধীন বিচার বিভাগীয় সচিবালয় বিলুপ্তির সরকারি সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা ও গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার (২০ মে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি একে ‘স্বাধীন বিচার বিভাগীয় সচিবালয়ের অপমৃত্যু’ বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি অভিযোগ করেন, আদালতের ওপর রাজনৈতিক কর্তৃত্ব ও প্রভাব নিরঙ্কুশ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, যা বিচার বিভাগকে শক্তিশালী করার সরকারি প্রতিশ্রুতির সম্পূর্ণ পরিপন্থী।

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বন্ধ করে বিচারকদের আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করার প্রজ্ঞাপন জারির পর দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে। সরকারের এই আকস্মিক সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এবার প্রকাশ্য অবস্থান নিলেন বিরোধীদলীয় প্রধান। মূলত বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে বিরোধদলীয় নেতার ক্ষোভ প্রকাশের পর আইনি স্বায়ত্তশাসন ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের বিষয়টি নতুন করে সাধারণ মানুষের আলোচনায় চলে এসেছে। তিনি প্রশাসনের এই একতরফা পদক্ষেপকে ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবে দেখছেন।

জামায়াতের আমির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, মঙ্গলবার রাতারাতি প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে স্বাধীন আদালত প্রশাসনের টুঁটি চেপে ধরা হয়েছে। বর্তমানে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে বিরোধদলীয় নেতার ক্ষোভ সংক্রান্ত খবরের বরাতে জানা যায়, ডা. শফিকুর রহমান স্পষ্ট ভাষায় লিখেছেন, এর মাধ্যমে আদালতের ওপর রাজনৈতিক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করার স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হলো। অথচ এই শাসনব্যবস্থা চালুর শুরুতে বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণ স্বাধীন করার জোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে বিরোধদলীয় নেতার ক্ষোভ
ড. শফিকুর রহমানের ফেসবুক পোস্ট

ডা. শফিকুর রহমান তাঁর পোস্টের শেষ অংশে এই পুরো ঘটনাটিকে ‘বিধিবাম’ বলে উল্লেখ করে দুঃখ প্রকাশ করেন। বর্তমানে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে বিরোধদলীয় নেতার ক্ষোভ সৃষ্টির পাশাপাশি তিনি দেশের এই বিদ্যমান প্রশাসনিক অপসংস্কৃতিকে তীব্রভাবে ঘৃণা করার কথা জানান। পরিশেষে বলা যায়, এই দমনমূলক ব্যবস্থার একদিন অবসান ঘটবে এবং বাংলার মাটিতেই বিচার বিভাগ তার পূর্ণ মর্যাদা ফিরে পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ফেসবুকে করা ড. শফিকুর রহমানের করা পোস্ট
ডা. শফিকুর রহমানের এই পোস্ট