ঢাকা ০৫:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হয় চুক্তিতে আসবে, নাহয় ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করবে: ট্রাম্প

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:৪৯:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
  • / 25

ডেনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তেহরানকে হয় নতুন চুক্তিতে আসতে হবে, না হলে ‘ভয়াবহ পরিণতি’ ভোগ করতে হবে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দেবে না। ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন যে, চীনও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একমত পোষণ করেছে এবং তেহরানকে কোনো সামরিক সহায়তা না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে ইরান ইস্যুতে নিজের কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন যে, ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা দমনে তিনি আর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে রাজি নন। মূলত ইরানকে ট্রাম্পের চরম হুঁশিয়ারি দেওয়ার মূল লক্ষ্য হলো তেহরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসতে বাধ্য করা। ট্রাম্পের মতে, ইরান যদি দ্রুত চুক্তিতে না পৌঁছায়, তবে তারা ধ্বংসের মুখে পড়বে। তিনি দাবি করেন, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশটির হাতে থাকার চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকা বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য মঙ্গলজনক।

ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন যে, যুদ্ধবিরতি চললেও ইরান গোপনে তাদের সামরিক শক্তি বৃদ্ধির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে ইরানকে ট্রাম্পের চরম হুঁশিয়ারি কেবল মৌখিক হুমকির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; তিনি জানিয়েছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রতিটি কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ট্রাম্প আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, “আমরা চাইলে একদিনের মধ্যেই সবকিছু শেষ করে দিতে পারি।” হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখা এবং বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র যেকোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত বলেও তিনি জানান।

ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে বৈশ্বিক শক্তিগুলোর সমর্থন আদায় করছেন ট্রাম্প। সম্প্রতি চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, দুই দেশই একমত যে ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে পারবে না। বর্তমানে ইরানকে ট্রাম্পের চরম হুঁশিয়ারি বাস্তবায়নে চীনের এই অবস্থান বড় একটি কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। চীন ইরানকে সামরিক সহায়তা না দেওয়ার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও তেল কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। পরিশেষে বলা যায়, ট্রাম্পের এই অনমনীয় মনোভাব ও আন্তর্জাতিক চাপ ইরানকে এক কঠিন কূটনৈতিক ও সামরিক চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

হয় চুক্তিতে আসবে, নাহয় ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করবে: ট্রাম্প

সর্বশেষ আপডেট ০২:৪৯:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, তেহরানকে হয় নতুন চুক্তিতে আসতে হবে, না হলে ‘ভয়াবহ পরিণতি’ ভোগ করতে হবে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দেবে না। ট্রাম্প আরও দাবি করেছেন যে, চীনও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একমত পোষণ করেছে এবং তেহরানকে কোনো সামরিক সহায়তা না দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে ইরান ইস্যুতে নিজের কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন যে, ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা দমনে তিনি আর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে রাজি নন। মূলত ইরানকে ট্রাম্পের চরম হুঁশিয়ারি দেওয়ার মূল লক্ষ্য হলো তেহরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসতে বাধ্য করা। ট্রাম্পের মতে, ইরান যদি দ্রুত চুক্তিতে না পৌঁছায়, তবে তারা ধ্বংসের মুখে পড়বে। তিনি দাবি করেন, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশটির হাতে থাকার চেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকা বিশ্ব নিরাপত্তার জন্য মঙ্গলজনক।

ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন যে, যুদ্ধবিরতি চললেও ইরান গোপনে তাদের সামরিক শক্তি বৃদ্ধির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে ইরানকে ট্রাম্পের চরম হুঁশিয়ারি কেবল মৌখিক হুমকির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; তিনি জানিয়েছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রতিটি কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। ট্রাম্প আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, “আমরা চাইলে একদিনের মধ্যেই সবকিছু শেষ করে দিতে পারি।” হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখা এবং বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র যেকোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত বলেও তিনি জানান।

ইরানের ওপর চাপ বাড়াতে বৈশ্বিক শক্তিগুলোর সমর্থন আদায় করছেন ট্রাম্প। সম্প্রতি চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, দুই দেশই একমত যে ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে পারবে না। বর্তমানে ইরানকে ট্রাম্পের চরম হুঁশিয়ারি বাস্তবায়নে চীনের এই অবস্থান বড় একটি কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। চীন ইরানকে সামরিক সহায়তা না দেওয়ার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও তেল কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। পরিশেষে বলা যায়, ট্রাম্পের এই অনমনীয় মনোভাব ও আন্তর্জাতিক চাপ ইরানকে এক কঠিন কূটনৈতিক ও সামরিক চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে।