২৯তম বিসিএস-এ অনিয়ম: পিএসসির ১৪ কর্মকর্তাসহ ১৯ জন আসামি
- সর্বশেষ আপডেট ০৮:৩৮:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
- / 164
মুক্তিযোদ্ধা কোটায় আবেদন না করেও প্রশাসন ও পুলিশসহ বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ পাওয়ার অভিযোগে ২৯তম বিসিএস সংশ্লিষ্ট দুর্নীতির ঘটনায় বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) ১৪ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, এক সাবেক সচিব এবং চাকরি পাওয়া ছয় ক্যাডার কর্মকর্তাসহ মোট ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে পৃথক ছয়টি মামলার অনুমোদন দেওয়া হয় বলে সংস্থাটির মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন জানিয়েছেন।
দুদক জানায়, মুক্তিযোদ্ধা সন্তানের কোটায় আবেদন না করা সত্ত্বেও ২৯তম বিসিএসে প্রশাসন ও পুলিশসহ বিভিন্ন ক্যাডার পদে নিয়োগ পাওয়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতে এসব মামলা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, নিয়োগ ও পরীক্ষা কার্যক্রমে প্রতারণা, জালিয়াতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করা হয়েছে।
মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন পিএসসির সদস্য এ টি আহমেদুল হক চৌধুরী, অধ্যাপক সুরাইয়া বেগম, মির্জা শামসুজ্জামা, আবিদুর রেজা খান, এহসান শামীম, অধ্যাপক রাশিদা বেগম, মোহাম্মদ হোসেন সেরনিয়াবাত, অধ্যাপক ড. এমরান কবির চৌধুরী, সৈয়দ হাসিনুর রহমান, ইকরাম আহমেদ, অধ্যাপক ডা. ফরিদা আদিব খানম, মুহম্মদ লিয়াকত আলী খান, সাবেক সচিব চৌধুরী বাবুল হাসান, সাবেক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) আ.ই.ম. নেছার উদ্দিন এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. লোকমান আহমদ।
এ ছাড়া অভিযোগের আওতায় থাকা চাকরিপ্রাপ্ত ছয় ক্যাডার কর্মকর্তা হলেন রকিবুর রহমান খান, তোফাজ্জল হোসেন, হালিমা খাতুন, মিল্টন আলী বিশ্বাস, নাহিদা বারিক ও খোরশেদ আলম।
দুদক সূত্র জানায়, অনুসন্ধান টিমের সুপারিশ অনুযায়ী আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারায় এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা দায়েরের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
সংস্থাটি বলছে, এসব মামলার মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও দুর্নীতির দায় নিরূপণ এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
































