ঢাকা ০৩:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুরেশ্বর বাঁধে ধস, ভাঙন ঠেকাতে জিও ব্যাগ

রোমান আকন্দ, শরীয়তপুর
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:৪৪:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • / 6

সুরেশ্বর বাঁধে ধস, ভাঙন ঠেকাতে জিও ব্যাগ

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় সুরেশ্বর তীররক্ষা বাঁধের ফাটল ধরা অংশের প্রায় ২০ মিটার নদীতে ধসে পড়েছে। ভাঙনের আশঙ্কায় এরই মধ্যে ১৪টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সুরেশ্বর মাছঘাট এলাকায় ফাটল ধরা বাঁধের প্রায় ২০ মিটার অংশ নদীতে বিলীন হয়ে যায়। এর আগে বুধবার দুপুরে বাঁধের প্রায় ৫০ মিটার অংশে ফাটল দেখা দেয়। সময়ের সঙ্গে ফাটল বাড়তে থাকায় মাছঘাটের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, বাঁধের ফাটল বড় হতে থাকায় অনেকে আগেভাগেই দোকানের মালামাল অন্যত্র সরিয়ে নেন। পরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাঁধের একটি বড় অংশ ধসে পড়ায় আশপাশের বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নতুন করে ঝুঁকির মুখে পড়ে।

ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. সফিকুর রহমান কিরন, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় ভাঙন ঠেকাতে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়।

পরিদর্শনকালে এমপি মো. সফিকুর রহমান কিরন বলেন, সুরেশ্বরের মানুষের জানমাল ও সম্পদ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এক ইঞ্চি মাটিও যাতে নদীগর্ভে না যায়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জরুরি ভিত্তিতে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সুরেশ্বর বাঁধে ধস, ভাঙন ঠেকাতে জিও ব্যাগ

সর্বশেষ আপডেট ০২:৪৪:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় সুরেশ্বর তীররক্ষা বাঁধের ফাটল ধরা অংশের প্রায় ২০ মিটার নদীতে ধসে পড়েছে। ভাঙনের আশঙ্কায় এরই মধ্যে ১৪টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সুরেশ্বর মাছঘাট এলাকায় ফাটল ধরা বাঁধের প্রায় ২০ মিটার অংশ নদীতে বিলীন হয়ে যায়। এর আগে বুধবার দুপুরে বাঁধের প্রায় ৫০ মিটার অংশে ফাটল দেখা দেয়। সময়ের সঙ্গে ফাটল বাড়তে থাকায় মাছঘাটের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, বাঁধের ফাটল বড় হতে থাকায় অনেকে আগেভাগেই দোকানের মালামাল অন্যত্র সরিয়ে নেন। পরে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাঁধের একটি বড় অংশ ধসে পড়ায় আশপাশের বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নতুন করে ঝুঁকির মুখে পড়ে।

ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. সফিকুর রহমান কিরন, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় ভাঙন ঠেকাতে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়।

পরিদর্শনকালে এমপি মো. সফিকুর রহমান কিরন বলেন, সুরেশ্বরের মানুষের জানমাল ও সম্পদ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এক ইঞ্চি মাটিও যাতে নদীগর্ভে না যায়, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জরুরি ভিত্তিতে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।