ঢাকা ০৯:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:৪৮:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
  • / 15

সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আদালতে

পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনের ডেথ রেফারেন্স অনুমোদনের জন্য হাইকোর্টে পাঠানো হয়েছে।

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনের মামলার ডেথ রেফারেন্স মঙ্গলবার হাইকোর্টে পাঠানো হয়েছে।

গত রবিবার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি সোহেল রানাকে পাঁচ লাখ এবং স্বপ্না খাতুনকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ রামিসার আইনি উত্তরাধিকারীদের দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালত জানান, হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করতে পারবেন।

হত্যাকাণ্ডের মাত্র ১৯ দিনের মধ্যে মামলার বিচারকাজ শেষ করে রায় ঘোষণা করা হয়। ২৫ মে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ১ জুন অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয় এবং পরদিন ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়।

গত ১৯ মে রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ঘটনার পর সোহেল রানা পালিয়ে গেলেও পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। স্বপ্না খাতুনকে ঘটনাস্থল থেকেই পুলিশ হেফাজতে নেয়। পরে সোহেল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

রামিসা পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকার বাসিন্দা এবং দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে

সর্বশেষ আপডেট ০৮:৪৮:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনের ডেথ রেফারেন্স অনুমোদনের জন্য হাইকোর্টে পাঠানো হয়েছে।

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনের মামলার ডেথ রেফারেন্স মঙ্গলবার হাইকোর্টে পাঠানো হয়েছে।

গত রবিবার ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি সোহেল রানাকে পাঁচ লাখ এবং স্বপ্না খাতুনকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ রামিসার আইনি উত্তরাধিকারীদের দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালত জানান, হাইকোর্টের অনুমোদন সাপেক্ষে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করতে পারবেন।

হত্যাকাণ্ডের মাত্র ১৯ দিনের মধ্যে মামলার বিচারকাজ শেষ করে রায় ঘোষণা করা হয়। ২৫ মে তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ১ জুন অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয় এবং পরদিন ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়।

গত ১৯ মে রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ঘটনার পর সোহেল রানা পালিয়ে গেলেও পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। স্বপ্না খাতুনকে ঘটনাস্থল থেকেই পুলিশ হেফাজতে নেয়। পরে সোহেল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

রামিসা পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকার বাসিন্দা এবং দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।