ঢাকা ১১:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোজতবা খামেনি জীবিত: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩৬:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
  • / 9

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনি জীবিত আছেন এবং মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ক্রমবর্ধমানভাবে যোগাযোগ রক্ষা করছেন বলে দাবি করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তবে ইরানি গণমাধ্যম বলছে, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান কয়েক দিন ধরে বন্ধ রয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের বৈদেশিক সম্পর্কবিষয়ক কমিটির শুনানিতে মার্কো রুবিও বলেন, যুদ্ধ শুরুর পর আহত হওয়ার পর থেকে মোজতবা খামেনিকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি। তার ভাষ্য, নিরাপত্তাজনিত কারণেই সম্ভবত তিনি প্রকাশ্যে আসছেন না।

রুবিও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এমন ইঙ্গিত রয়েছে যে খামেনি একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে যোগাযোগ বজায় রাখছেন। তবে তার সব ধরনের যোগাযোগ এখন পর্যন্ত লিখিতভাবে এবং মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, ইরানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া অত্যন্ত কেন্দ্রীভূত। দেশটির আলোচকদের যেকোনো বার্তা প্রথমে একটি পরিচালনা পরিষদের অনুমোদনের জন্য পাঠাতে হয়। অনুমোদন পাওয়ার পরই জবাব দেওয়া হয়, যার কারণে অনেক সময় প্রতিক্রিয়া পেতে তিন থেকে পাঁচ দিন পর্যন্ত লেগে যায়।

তিনি আরও বলেন, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের মতো শীর্ষ কর্মকর্তারাও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ওই পরিষদের চূড়ান্ত নির্দেশনার ওপর নির্ভরশীল।

যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রুবিও দাবি করছেন, দুই দেশের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে, ইরানি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক কয়েক দিনে কোনো বার্তা বিনিময় হয়নি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া মার্কিন-ইসরায়েলি ও ইরান সংঘাতের পর উভয় পক্ষ একটি স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও পরবর্তী আলোচনায় এখনো কোনো স্থায়ী চুক্তি হয়নি।

ইরানি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সংঘাতে তিন হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে ইরানের পাল্টা হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৩ জন সামরিক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। সংঘাতের সময় তেহরান ইসরায়েল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা চালানোর পাশাপাশি কৌশলগত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

মোজতবা খামেনি জীবিত: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৩৬:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনি জীবিত আছেন এবং মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ক্রমবর্ধমানভাবে যোগাযোগ রক্ষা করছেন বলে দাবি করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তবে ইরানি গণমাধ্যম বলছে, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান কয়েক দিন ধরে বন্ধ রয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের বৈদেশিক সম্পর্কবিষয়ক কমিটির শুনানিতে মার্কো রুবিও বলেন, যুদ্ধ শুরুর পর আহত হওয়ার পর থেকে মোজতবা খামেনিকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি। তার ভাষ্য, নিরাপত্তাজনিত কারণেই সম্ভবত তিনি প্রকাশ্যে আসছেন না।

রুবিও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে এমন ইঙ্গিত রয়েছে যে খামেনি একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে যোগাযোগ বজায় রাখছেন। তবে তার সব ধরনের যোগাযোগ এখন পর্যন্ত লিখিতভাবে এবং মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, ইরানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া অত্যন্ত কেন্দ্রীভূত। দেশটির আলোচকদের যেকোনো বার্তা প্রথমে একটি পরিচালনা পরিষদের অনুমোদনের জন্য পাঠাতে হয়। অনুমোদন পাওয়ার পরই জবাব দেওয়া হয়, যার কারণে অনেক সময় প্রতিক্রিয়া পেতে তিন থেকে পাঁচ দিন পর্যন্ত লেগে যায়।

তিনি আরও বলেন, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের মতো শীর্ষ কর্মকর্তারাও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ওই পরিষদের চূড়ান্ত নির্দেশনার ওপর নির্ভরশীল।

যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রুবিও দাবি করছেন, দুই দেশের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে, ইরানি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক কয়েক দিনে কোনো বার্তা বিনিময় হয়নি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া মার্কিন-ইসরায়েলি ও ইরান সংঘাতের পর উভয় পক্ষ একটি স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও পরবর্তী আলোচনায় এখনো কোনো স্থায়ী চুক্তি হয়নি।

ইরানি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, সংঘাতে তিন হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে ইরানের পাল্টা হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৩ জন সামরিক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। সংঘাতের সময় তেহরান ইসরায়েল ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা চালানোর পাশাপাশি কৌশলগত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়।