ঢাকা ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রীর সাথে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:০৮:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • / 143

মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রীর সাথে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ। ছবি: সংগৃহীত

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম-এর সাথে তাঁর দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মহান মুক্তিযুদ্ধসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় হয়। সাক্ষাৎকালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় মন্ত্রী মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়কার তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, সক্রিয় অংশগ্রহণ ও যুদ্ধের চ্যালেঞ্জিং মূহুর্তের বর্ণনা তুলে ধরেন।

তিনি উল্লেখ করেন যে, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সরকার ও সাধারণ জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থন বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এ জন্য তিনি ভারত সরকার ও জনগণের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মন্ত্রী বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের মধ্যে সম্পৃক্ততা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় ও বহুমাত্রিক করার বিষয়ে বাংলাদেশ আগ্রহী।

ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেন, ভারতের কূটনীতির অন্যতম ভিত্তি হলো জনকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং পারস্পরিক বিশ্বাস ।

তিনি নতুন প্রজন্মের কাছে মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস যথাযথভাবে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রীর সাথে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

সর্বশেষ আপডেট ০৭:০৮:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম-এর সাথে তাঁর দপ্তরে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

আজ মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মহান মুক্তিযুদ্ধসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় হয়। সাক্ষাৎকালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় মন্ত্রী মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়কার তাঁর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, সক্রিয় অংশগ্রহণ ও যুদ্ধের চ্যালেঞ্জিং মূহুর্তের বর্ণনা তুলে ধরেন।

তিনি উল্লেখ করেন যে, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সরকার ও সাধারণ জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থন বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এ জন্য তিনি ভারত সরকার ও জনগণের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

মন্ত্রী বাংলাদেশ ও ভারতের জনগণের মধ্যে সম্পৃক্ততা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, ভারত বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আস্থা ও সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় ও বহুমাত্রিক করার বিষয়ে বাংলাদেশ আগ্রহী।

ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেন, ভারতের কূটনীতির অন্যতম ভিত্তি হলো জনকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং পারস্পরিক বিশ্বাস ।

তিনি নতুন প্রজন্মের কাছে মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস যথাযথভাবে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।