ঢাকা ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিজয় দিবসে চালু হবে থার্ড টার্মিনাল

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:২৭:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
  • / 158

বিমান প্রতিমন্ত্রী

আগামী ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসকে লক্ষ্য রেখে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর জোর প্রস্তুতি চলছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত মঙ্গলবার এক পর্যালোচনা সভায় এই তথ্য জানান।

যাত্রীসেবার মান বাড়াতে বিমানের পাশাপাশি দ্বিতীয় গ্রাউন্ড হ্যান্ডলার নিয়োগের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। জুনের মধ্যে অপারেশনাল রেডিনেস কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টার্মিনালটি চালুর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

দেশের প্রধান বিমানবন্দর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে বহুল প্রতীক্ষিত তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন যে, বিজয় দিবসে এটি চালুর সম্ভাব্য তারিখ ধরে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মূলত বিজয় দিবসে চালু হবে থার্ড টার্মিনাল—এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সিএএবি এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিভাগকে দ্রুত চুক্তি সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। টার্মিনালটি চালু হলে দেশের এভিয়েশন খাতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

যাত্রীসেবা উন্নত করতে এই টার্মিনালে বড় পরিবর্তন আসছে। বর্তমানে কেবল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং করলেও এখন থেকে দ্বিতীয় একটি প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দেওয়া হবে। বর্তমানে বিজয় দিবসে চালু হবে থার্ড টার্মিনাল হওয়ার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে আইএফসি এবং জাপানিজ ওয়ার্কিং গ্রুপের সাথে নিয়মিত সমন্বয় করা হচ্ছে। আইএফসি ও সিএএবি-র সাথে আলোচনার ভিত্তিতেই গ্রাউন্ড হ্যান্ডলার নিয়োগের এই সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার জন্য কনসেশন এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করতে বলা হয়েছে। বর্তমানে বিজয় দিবসে চালু হবে থার্ড টার্মিনাল হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে আগামী জুনের মধ্যেই ‘ওআরএটি’ কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

জাপানিজ ওয়ার্কিং গ্রুপকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ বুঝিয়ে দিতে অনুরোধ করা হয়েছে। পরিশেষে বলা যায়, এই মেগা প্রকল্পটি সময়মতো চালু হলে যাত্রী ভোগান্তি কমার পাশাপাশি বিমানবন্দরের বৈশ্বিক মানদণ্ড নিশ্চিত হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বিজয় দিবসে চালু হবে থার্ড টার্মিনাল

সর্বশেষ আপডেট ০২:২৭:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

আগামী ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবসকে লক্ষ্য রেখে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালুর জোর প্রস্তুতি চলছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত মঙ্গলবার এক পর্যালোচনা সভায় এই তথ্য জানান।

যাত্রীসেবার মান বাড়াতে বিমানের পাশাপাশি দ্বিতীয় গ্রাউন্ড হ্যান্ডলার নিয়োগের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। জুনের মধ্যে অপারেশনাল রেডিনেস কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টার্মিনালটি চালুর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

দেশের প্রধান বিমানবন্দর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে বহুল প্রতীক্ষিত তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হচ্ছে। প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন যে, বিজয় দিবসে এটি চালুর সম্ভাব্য তারিখ ধরে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মূলত বিজয় দিবসে চালু হবে থার্ড টার্মিনাল—এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সিএএবি এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিভাগকে দ্রুত চুক্তি সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। টার্মিনালটি চালু হলে দেশের এভিয়েশন খাতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

যাত্রীসেবা উন্নত করতে এই টার্মিনালে বড় পরিবর্তন আসছে। বর্তমানে কেবল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং করলেও এখন থেকে দ্বিতীয় একটি প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দেওয়া হবে। বর্তমানে বিজয় দিবসে চালু হবে থার্ড টার্মিনাল হওয়ার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে আইএফসি এবং জাপানিজ ওয়ার্কিং গ্রুপের সাথে নিয়মিত সমন্বয় করা হচ্ছে। আইএফসি ও সিএএবি-র সাথে আলোচনার ভিত্তিতেই গ্রাউন্ড হ্যান্ডলার নিয়োগের এই সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার জন্য কনসেশন এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করতে বলা হয়েছে। বর্তমানে বিজয় দিবসে চালু হবে থার্ড টার্মিনাল হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে আগামী জুনের মধ্যেই ‘ওআরএটি’ কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

জাপানিজ ওয়ার্কিং গ্রুপকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ বুঝিয়ে দিতে অনুরোধ করা হয়েছে। পরিশেষে বলা যায়, এই মেগা প্রকল্পটি সময়মতো চালু হলে যাত্রী ভোগান্তি কমার পাশাপাশি বিমানবন্দরের বৈশ্বিক মানদণ্ড নিশ্চিত হবে।