বগুড়ায় হচ্ছে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও নতুন বিমানঘাঁটি
- সর্বশেষ আপডেট ০৩:০৩:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬
- / 23
উত্তরবঙ্গের যোগাযোগ, রপ্তানি ও সামরিক সক্ষমতায় বড় পরিবর্তনের পরিকল্পনা নিয়ে বগুড়া এয়ারফিল্ডকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছে সরকার।
একই সঙ্গে সেখানে পূর্ণাঙ্গ বিমানঘাঁটি ও আধুনিক ফ্লাইং একাডেমি স্থাপনের উদ্যোগের কথাও জানানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) বগুড়া এয়ারফিল্ড ও আশপাশের এলাকা পরিদর্শন শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং বিমানবাহিনী প্রধান।
পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম, প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।
ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় বগুড়াকে উত্তরবঙ্গের প্রথম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে আন্তর্জাতিক কার্গো সুবিধার ওপর, যাতে উত্তরাঞ্চলের কৃষিপণ্য ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্পের পণ্য সরাসরি বিদেশে রপ্তানি করা যায়।
এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, প্রকল্পের অংশ হিসেবে ১০ হাজার ৫০০ ফুট দীর্ঘ রানওয়ে নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শুরু হবে। ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্তদের বাজারদামের তিনগুণ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও জানান তিনি।
বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন বলেন, কৌশলগত দিক থেকে বগুড়ার গুরুত্ব অনেক বেশি। এ কারণে সেখানে অত্যাধুনিক বিমানঘাঁটি স্থাপনের প্রাথমিক অনুমোদন দিয়েছে সরকার। নতুন জঙ্গি বিমান কেনার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে এবং সেগুলো বগুড়াতেই মোতায়েন করা হবে বলে জানান তিনি।
অন্যদিকে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, দক্ষ বৈমানিক তৈরির লক্ষ্যে বগুড়ায় আধুনিক ফ্লাইং একাডেমি গড়ে তোলা হবে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের পাইলট তৈরির পাশাপাশি তরুণদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা এড়াতে দ্রুত বাণিজ্যিক ফ্লাইট চালুর প্রস্তুতি নিতে বেবিচককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় উন্নয়নে জনগণের সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।
পরিদর্শনে স্থানীয় সংসদ সদস্য, বেবিচকের চেয়ারম্যানসহ সামরিক ও বেসামরিক বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বগুড়াসহ উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতিতে বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।



































