ঢাকা ১১:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর ২৩ আগস্ট!

কূটনৈতিক প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৪৭:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
  • / 17

মোদি-তারেক

অবশেষে ভারত সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ২৩ আগস্ট তাঁর দিল্লি সফর হতে পারে বলে জানিয়েছে ঢাকার কূটনৈতিক সূত্র।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) কূটনৈতিক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফর নিয়ে কয়েক মাস ধরে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আলোচনা চলছিল। গত জুনের শুরুতে সফরটি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হলেও পরবর্তী সময়ে তা আর এগোয়নি। পরে জুলাইয়ে আগস্টের প্রথম ১০ দিনের মধ্যে সফর আয়োজনের সম্ভাব্য সময় নিয়েও আলোচনা হয়।

এরই মধ্যে ভারতীয় পক্ষ থেকে ২১ আগস্টকে সম্ভাব্য সফরের তারিখ হিসেবে প্রস্তাব করা হয়েছিল। তবে একই সময়ে দিল্লিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি সামনে আসে। এরপর সফর নিয়ে আলোচনা স্থগিত করে বিষয়টি ভারত সরকারের কাছে উত্থাপন করে ঢাকা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, পরবর্তী সময়ে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে যোগাযোগ ও আলোচনা শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ২৩ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফরের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

প্রথমবার মুখোমুখি হতে পারেন মোদি-তারেক

তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে। এ অবস্থায় সম্ভাব্য মোদি-তারেক বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে দুই দেশই।

২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্পর্কে বিভিন্ন বিষয়ে টানাপোড়েন তৈরি হয়। ভারতে শেখ হাসিনার অবস্থান এবং তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। তবে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের আগ্রহের কথা জানিয়েছে ঢাকা।

সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগও বেড়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান গত এপ্রিলে নয়াদিল্লি সফর করে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেন। এর পর গত ১০ আগস্ট ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ওই বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক আরও স্বাভাবিক করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।

শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশ ছাড়ার পর থেকে ভারতে অবস্থান করছেন শেখ হাসিনা। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বাংলাদেশের একটি ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর তাকে ফেরত পাঠানোর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে নয়াদিল্লির কাছে অনুরোধ জানায় ঢাকা। ভারত জানিয়েছে, বিষয়টি আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

চলতি মাসের শুরুতে নয়াদিল্লি থেকে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বিষয়টি আবারও সামনে আসে। ঢাকা এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে জানায়, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় ভারতীয় ভূখণ্ড ব্যবহার করা উচিত নয়। তবে ওই আয়োজনের সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছে ভারত।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে এনডিটিভি জানিয়েছে, তারেক রহমানের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাম্প্রতিক বৈঠকেও শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি আলোচনায় আসে। সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকেও ইস্যুটি গুরুত্ব পেতে পারে। তবে দুই দেশই চাইবে, এই বিরোধ যেন সামগ্রিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নয়নে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়।

পানি, বাণিজ্য ও সীমান্ত আলোচনায় গুরুত্ব পাবে

তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরে বাস্তবভিত্তিক বিভিন্ন ইস্যু আলোচনায় আসতে পারে। এর মধ্যে বাণিজ্য ও ট্রানজিট, জ্বালানি সহযোগিতা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

পানি বণ্টনের বিষয়টিও আলোচনার অন্যতম প্রধান ইস্যু হতে পারে। ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে চুক্তির নবায়ন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা জোরালো হতে পারে।

এ ছাড়া বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও ভারতের সঙ্গে আলোচনা করতে পারে বাংলাদেশ। দীর্ঘ স্থলসীমান্ত এবং পারস্পরিক অর্থনৈতিক ও যোগাযোগ নির্ভরতার কারণে দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্কের উন্নয়ন হলে এসব ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

সম্পর্ক স্বাভাবিক করার নতুন উদ্যোগ

বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশই বর্তমানে সম্পর্কের মধ্যে তৈরি হওয়া অস্বস্তি কাটিয়ে আবারও স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে আগ্রহী বলে মনে করা হচ্ছে। তবে সম্ভাব্য এই সফরেই সব বিরোধের সমাধান হবে, এমন প্রত্যাশা করা হচ্ছে না।

শেখ হাসিনা ইস্যু, পানি বণ্টন, বাণিজ্য, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে আরও ধারাবাহিক আলোচনা প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও নরেন্দ্র মোদির সরাসরি বৈঠক হলে এসব বিষয়ে রাজনৈতিক পর্যায়ে মতবিনিময়ের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।

সফরটি হলে ভারতের নেতৃত্বের কাছে বাংলাদেশের অবস্থান সরাসরি তুলে ধরার সুযোগ পাবেন তারেক রহমান। একইভাবে ভারতের প্রত্যাশা ও উদ্বেগও বাংলাদেশের নতুন সরকারের কাছে তুলে ধরতে পারবেন নরেন্দ্র মোদি।

তবে সফরের তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। পরিকল্পনা অনুযায়ী সফরটি অনুষ্ঠিত হলে, নতুন রাজনৈতিক বা

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর ২৩ আগস্ট!

সর্বশেষ আপডেট ১০:৪৭:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

অবশেষে ভারত সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ২৩ আগস্ট তাঁর দিল্লি সফর হতে পারে বলে জানিয়েছে ঢাকার কূটনৈতিক সূত্র।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) কূটনৈতিক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফর নিয়ে কয়েক মাস ধরে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আলোচনা চলছিল। গত জুনের শুরুতে সফরটি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হলেও পরবর্তী সময়ে তা আর এগোয়নি। পরে জুলাইয়ে আগস্টের প্রথম ১০ দিনের মধ্যে সফর আয়োজনের সম্ভাব্য সময় নিয়েও আলোচনা হয়।

এরই মধ্যে ভারতীয় পক্ষ থেকে ২১ আগস্টকে সম্ভাব্য সফরের তারিখ হিসেবে প্রস্তাব করা হয়েছিল। তবে একই সময়ে দিল্লিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি সামনে আসে। এরপর সফর নিয়ে আলোচনা স্থগিত করে বিষয়টি ভারত সরকারের কাছে উত্থাপন করে ঢাকা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, পরবর্তী সময়ে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে যোগাযোগ ও আলোচনা শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ২৩ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফরের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

প্রথমবার মুখোমুখি হতে পারেন মোদি-তারেক

তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্য দিয়ে এগোচ্ছে। এ অবস্থায় সম্ভাব্য মোদি-তারেক বৈঠককে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে দুই দেশই।

২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্পর্কে বিভিন্ন বিষয়ে টানাপোড়েন তৈরি হয়। ভারতে শেখ হাসিনার অবস্থান এবং তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর অনুরোধ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। তবে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের আগ্রহের কথা জানিয়েছে ঢাকা।

সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের কূটনৈতিক যোগাযোগও বেড়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান গত এপ্রিলে নয়াদিল্লি সফর করে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেন। এর পর গত ১০ আগস্ট ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। ওই বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক আরও স্বাভাবিক করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।

শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশ ছাড়ার পর থেকে ভারতে অবস্থান করছেন শেখ হাসিনা। মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বাংলাদেশের একটি ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পর তাকে ফেরত পাঠানোর জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে নয়াদিল্লির কাছে অনুরোধ জানায় ঢাকা। ভারত জানিয়েছে, বিষয়টি আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

চলতি মাসের শুরুতে নয়াদিল্লি থেকে শেখ হাসিনার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বিষয়টি আবারও সামনে আসে। ঢাকা এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে জানায়, বাংলাদেশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় ভারতীয় ভূখণ্ড ব্যবহার করা উচিত নয়। তবে ওই আয়োজনের সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছে ভারত।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে এনডিটিভি জানিয়েছে, তারেক রহমানের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাম্প্রতিক বৈঠকেও শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি আলোচনায় আসে। সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকেও ইস্যুটি গুরুত্ব পেতে পারে। তবে দুই দেশই চাইবে, এই বিরোধ যেন সামগ্রিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নয়নে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়।

পানি, বাণিজ্য ও সীমান্ত আলোচনায় গুরুত্ব পাবে

তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরে বাস্তবভিত্তিক বিভিন্ন ইস্যু আলোচনায় আসতে পারে। এর মধ্যে বাণিজ্য ও ট্রানজিট, জ্বালানি সহযোগিতা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

পানি বণ্টনের বিষয়টিও আলোচনার অন্যতম প্রধান ইস্যু হতে পারে। ১৯৯৬ সালে স্বাক্ষরিত গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে চুক্তির নবায়ন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা জোরালো হতে পারে।

এ ছাড়া বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও ভারতের সঙ্গে আলোচনা করতে পারে বাংলাদেশ। দীর্ঘ স্থলসীমান্ত এবং পারস্পরিক অর্থনৈতিক ও যোগাযোগ নির্ভরতার কারণে দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্কের উন্নয়ন হলে এসব ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

সম্পর্ক স্বাভাবিক করার নতুন উদ্যোগ

বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশই বর্তমানে সম্পর্কের মধ্যে তৈরি হওয়া অস্বস্তি কাটিয়ে আবারও স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে আগ্রহী বলে মনে করা হচ্ছে। তবে সম্ভাব্য এই সফরেই সব বিরোধের সমাধান হবে, এমন প্রত্যাশা করা হচ্ছে না।

শেখ হাসিনা ইস্যু, পানি বণ্টন, বাণিজ্য, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে আরও ধারাবাহিক আলোচনা প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও নরেন্দ্র মোদির সরাসরি বৈঠক হলে এসব বিষয়ে রাজনৈতিক পর্যায়ে মতবিনিময়ের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে।

সফরটি হলে ভারতের নেতৃত্বের কাছে বাংলাদেশের অবস্থান সরাসরি তুলে ধরার সুযোগ পাবেন তারেক রহমান। একইভাবে ভারতের প্রত্যাশা ও উদ্বেগও বাংলাদেশের নতুন সরকারের কাছে তুলে ধরতে পারবেন নরেন্দ্র মোদি।

তবে সফরের তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। পরিকল্পনা অনুযায়ী সফরটি অনুষ্ঠিত হলে, নতুন রাজনৈতিক বা