ঢাকা ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পূর্বনির্ধারিত স্থানেই কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চান শরীয়তপুরবাসী

নিজস্ব প্রতিবেদক, শরীয়তপুর
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩১:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
  • / 89

পূর্বনির্ধারিত স্থানেই কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চান শরীয়তপুরবাসী

শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় জেলা শহরের কাছাকাছি শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কের পাশে পূর্বনির্ধারিত স্থানে নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কের কোটাপাড়া সেতু-সংলগ্ন এলাকায় ‘শরীয়তপুর জেলার সর্বস্তরের জনগণ’-এর ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে শরীয়তপুর সদর, নড়িয়াসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা অংশ নেন। এ সময় বক্তব্য দেন ইমরান আল নাজির, ইউপি সদস্য বিল্লাল শেখ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. হাবিবুর রহমান, আবির হাসান ও আমিনুল জিতুসহ অনেকে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ২০২৩ সালে শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আইন পাস হওয়ার পর সদর উপজেলার ডোমসার ও নড়িয়া উপজেলার নশাসন এলাকাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্ভাব্য স্থান হিসেবে বিবেচনায় রাখা হয়েছিল। তবে সম্প্রতি উপাচার্য নিয়োগের পর ওই স্থানগুলো বাদ দিয়ে ডামুড্যা উপজেলার একটি ইউনিয়নে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাব করা হয়েছে বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন।

বক্তারা বলেন, ডামুড্যা উপজেলার প্রস্তাবিত স্থানটি জেলার এক প্রান্তে অবস্থিত। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হলে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে ভোগান্তি বাড়বে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আবাসন, চিকিৎসা, টিউশন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করাও কঠিন হতে পারে।

তাঁদের মতে, শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শুধু কোনো নির্দিষ্ট এলাকার মানুষের জন্য নয়, বরং পুরো জেলার শিক্ষার্থী ও জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তাই স্থান নির্ধারণের ক্ষেত্রে জেলার সর্বস্তরের মানুষের সুবিধা বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। জেলা সদর বা এর আশপাশে বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ করা হলে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সহজ হবে এবং আবাসন, চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা পাওয়ার সুযোগ বাড়বে।

মানববন্ধন থেকে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান নির্ধারণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান বক্তারা। একই সঙ্গে জেলা শহরের কাছাকাছি শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কের পাশে পূর্বনির্ধারিত স্থানে বিশ্ববিদ্যালয়টি নির্মাণের দাবি জানান তাঁরা।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পূর্বনির্ধারিত স্থানেই কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চান শরীয়তপুরবাসী

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩১:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় জেলা শহরের কাছাকাছি শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কের পাশে পূর্বনির্ধারিত স্থানে নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কের কোটাপাড়া সেতু-সংলগ্ন এলাকায় ‘শরীয়তপুর জেলার সর্বস্তরের জনগণ’-এর ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে শরীয়তপুর সদর, নড়িয়াসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা অংশ নেন। এ সময় বক্তব্য দেন ইমরান আল নাজির, ইউপি সদস্য বিল্লাল শেখ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মো. হাবিবুর রহমান, আবির হাসান ও আমিনুল জিতুসহ অনেকে।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ২০২৩ সালে শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আইন পাস হওয়ার পর সদর উপজেলার ডোমসার ও নড়িয়া উপজেলার নশাসন এলাকাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্ভাব্য স্থান হিসেবে বিবেচনায় রাখা হয়েছিল। তবে সম্প্রতি উপাচার্য নিয়োগের পর ওই স্থানগুলো বাদ দিয়ে ডামুড্যা উপজেলার একটি ইউনিয়নে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাব করা হয়েছে বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন।

বক্তারা বলেন, ডামুড্যা উপজেলার প্রস্তাবিত স্থানটি জেলার এক প্রান্তে অবস্থিত। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হলে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে ভোগান্তি বাড়বে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আবাসন, চিকিৎসা, টিউশন ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করাও কঠিন হতে পারে।

তাঁদের মতে, শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শুধু কোনো নির্দিষ্ট এলাকার মানুষের জন্য নয়, বরং পুরো জেলার শিক্ষার্থী ও জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। তাই স্থান নির্ধারণের ক্ষেত্রে জেলার সর্বস্তরের মানুষের সুবিধা বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। জেলা সদর বা এর আশপাশে বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ করা হলে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত সহজ হবে এবং আবাসন, চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা পাওয়ার সুযোগ বাড়বে।

মানববন্ধন থেকে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান নির্ধারণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান বক্তারা। একই সঙ্গে জেলা শহরের কাছাকাছি শরীয়তপুর-ঢাকা মহাসড়কের পাশে পূর্বনির্ধারিত স্থানে বিশ্ববিদ্যালয়টি নির্মাণের দাবি জানান তাঁরা।