‘খাসি কাণ্ডে’ বিয়ে ভাঙা সেই জাপানপ্রবাসী বরের নতুন বিয়ে
- সর্বশেষ আপডেট ১১:৪৯:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬
- / 21
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বিয়ের অনুষ্ঠানে খাবারের আয়োজনে আস্ত খাসি না থাকায় বিয়ে না করেই চলে যাওয়া আলোচিত জাপানপ্রবাসী বর জোনায়েদ মিয়া ফের বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত ১টার দিকে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট দিয়ে নতুন বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জোনায়েদ। এর আগে সোমবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার নেয়ামতপুর গ্রামে কনের মামার বাড়িতে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
নতুন কনের নাম জান্নাত আক্তার। তিনি আখাউড়ার নূরপুর গ্রামের জাহের মিয়ার মেয়ে এবং স্থানীয় একটি মহিলা কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। কনের মামা তাজু সরকারের বাড়িতেই বিয়ের আয়োজন করা হয়। একই গ্রামের বাসিন্দা জোনায়েদের পরিবারও।
বিয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে জোনায়েদ লেখেন, সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে তার বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।
জোনায়েদের ছোট ভাই পারভেজ জানিয়েছেন, নতুন বিয়েতে দেনমোহর নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ টাকা।
এর আগে সোমবার আখাউড়ার ধরখার ইউনিয়নের তোলাতালা গ্রামে বিয়ের অনুষ্ঠানে খাবারের আয়োজনে খাসি না থাকাকে কেন্দ্র করে বিয়ে না করেই চলে যান জোনায়েদ। পরে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
এরপর মঙ্গলবার সকালে নিজের ফেসবুক পোস্টে প্রথম বিয়ের কনেপক্ষের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন জোনায়েদ। তার দাবি, বিয়ের অনুষ্ঠানে খাওয়া-দাওয়া শেষে কনেপক্ষ পূর্বনির্ধারিত কাবিনের তুলনায় ১০ গুণ বেশি টাকা দাবি করে। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে তাদের বিয়ের আসর থেকে বের করে দেওয়া হয়। কনের জন্য আনা মালামালও ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
জোনায়েদ আরও অভিযোগ করেন, কনের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ না পেয়ে রাতে কনেপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাকে হুমকি দেওয়া হয়। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তবে জোনায়েদের এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে কনেপক্ষ। তাদের দাবি, গত শুক্রবার (১৪ আগস্ট) উভয় পরিবারের উপস্থিতিতে লিখিত ফর্দনামার মাধ্যমে ২ লাখ টাকা নগদ কাবিনে বিয়ের সিদ্ধান্ত হয়েছিল। বরপক্ষের প্রতিনিধি মনির হোসেন ওই ফর্দনামায় স্বাক্ষরও করেছিলেন বলে দাবি কনেপক্ষের।






























