ঢাকা ০৩:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবার মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:০৪:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
  • / 12

মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবার মৃত্যুদণ্ড

বগুড়ার শেরপুরে নিজ কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত বাবাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাঙ্গে তাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় বগুড়া শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক( জেলা দায়রা জজ) মারুফ হোসেন এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম মো. আব্দুল খালেক( ৫১)। তিনি শেরপুর উপজেলার বাগড়া বস্তি এলাকার বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন বগুড়া শিশু দমন ট্রাইবুনালের পিপি অ্যাডভোকেট আলী আসগর।

মামলার বরাত দিয়ে আইনজীবী জানান, ২০২০ সালে ৩১ অক্টোবর ভুক্তভোগী শিশুর মা (আসামির দ্বিতীয় স্ত্রী) বাদী হয়ে তার স্বামীর নামে মামলা দায়ের করেন। শিশুটি তার বাবা ও সৎ মায়ের (আসামির তৃতীয় স্ত্রী) সঙ্গে ভাড়া বাসায় বসবাস করতো। ২১ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৪টার দিকে অন্যান্য দিনের মতো শিশুটির সৎ মা স্থানীয় চাতালে ধান সিদ্ধ করতে চলে যান। সে সময়, আসামি তার মেয়েকে ধর্ষণ করেন। সেই সঙ্গে ঘটনাটি গোপন রাখতে হুমকি দেন।

তিনি আরও জানান, এই ঘটনার পরে শিশুটির আচরণে পরিবর্তন আসে। সে বাড়ির কাজ করা বন্ধ করে দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সৎ মা তাকে মারধর করতে থাকে। এক পর্যায়ে শিশুটি তার সৎ মাকে ঘটনাটি জানায়। স্বামীর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ বিশ্বাস না করে তিনি অত্যাচারের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেন। অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে শিশুটি তার দুই সহপাঠীকে ঘটনাটি জানায়। তাদের মাধ্যমে জেনে গ্রামের বাসিন্দারা থানায় অভিযোগ করে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবার মৃত্যুদণ্ড

সর্বশেষ আপডেট ০২:০৪:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

বগুড়ার শেরপুরে নিজ কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত বাবাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাঙ্গে তাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় বগুড়া শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক( জেলা দায়রা জজ) মারুফ হোসেন এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির নাম মো. আব্দুল খালেক( ৫১)। তিনি শেরপুর উপজেলার বাগড়া বস্তি এলাকার বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন বগুড়া শিশু দমন ট্রাইবুনালের পিপি অ্যাডভোকেট আলী আসগর।

মামলার বরাত দিয়ে আইনজীবী জানান, ২০২০ সালে ৩১ অক্টোবর ভুক্তভোগী শিশুর মা (আসামির দ্বিতীয় স্ত্রী) বাদী হয়ে তার স্বামীর নামে মামলা দায়ের করেন। শিশুটি তার বাবা ও সৎ মায়ের (আসামির তৃতীয় স্ত্রী) সঙ্গে ভাড়া বাসায় বসবাস করতো। ২১ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৪টার দিকে অন্যান্য দিনের মতো শিশুটির সৎ মা স্থানীয় চাতালে ধান সিদ্ধ করতে চলে যান। সে সময়, আসামি তার মেয়েকে ধর্ষণ করেন। সেই সঙ্গে ঘটনাটি গোপন রাখতে হুমকি দেন।

তিনি আরও জানান, এই ঘটনার পরে শিশুটির আচরণে পরিবর্তন আসে। সে বাড়ির কাজ করা বন্ধ করে দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সৎ মা তাকে মারধর করতে থাকে। এক পর্যায়ে শিশুটি তার সৎ মাকে ঘটনাটি জানায়। স্বামীর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ বিশ্বাস না করে তিনি অত্যাচারের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেন। অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে শিশুটি তার দুই সহপাঠীকে ঘটনাটি জানায়। তাদের মাধ্যমে জেনে গ্রামের বাসিন্দারা থানায় অভিযোগ করে।