নিউইয়র্কে এমপি মনজুরুল
পাটওয়ারীর ওপর আসল মার এখনও শুরুই হয়নি
- সর্বশেষ আপডেট ০১:৩৪:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬
- / 33
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সামনে ভবিষ্যতে আরও কঠিন সময় অপেক্ষা করছে বলে মন্তব্য করেছেন দিনাজপুর-১ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম।
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে শুক্রবার তিনি এ মন্তব্য করেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়।
মনজুরুল ইসলাম বলেন, ‘পাটওয়ারীর ওপর মার শুরু হয়েছে কেবল। আসল মার তো শুরুই হয়নি। একজন এমপি হিসেবেই বলছি, ভবিষ্যৎ অনেক কঠিন তার জন্য।’
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিভিন্ন বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পাটওয়ারী যেসব মন্তব্য করছেন, তা বাকস্বাধীনতার সীমা অতিক্রম করছে বলে তিনি মনে করেন।
মনজুরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও তাঁর স্ত্রী ও কন্যাকে নিয়ে মন্তব্য করা হলে তা মেনে নেওয়া কঠিন। কারণ তারা সংশ্লিষ্ট কোনো বিষয়ের অংশ নন। তাঁর ভাষ্য, এ ধরনের বক্তব্যকে ‘ফ্রিডম অব স্পিচ’ বা বাকস্বাধীনতার আওতায় ফেলা যায় না।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেভাবে ধৈর্যের পরিচয় দিচ্ছেন, তা উল্লেখযোগ্য। তবে পাটওয়ারী ও তুষারসহ কয়েকজন তাঁর সম্পর্কে যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করছেন, তা নিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।
‘ইতিহাস বিকৃতির’ অভিযোগ, অনুষ্ঠান থেকে বের করে দেওয়া হয় প্রবাসীকে
এদিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে নিউইয়র্কের বাংলাদেশ কনস্যুলেটে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে নূর হোসেন নামে এক প্রবাসী নিজেকে জুলাইয়ের আন্দোলনের একজন যোদ্ধা দাবি করে প্রদর্শিত তথ্যকে ‘ইতিহাস বিকৃতি’ বলে অভিযোগ করেন। এ নিয়ে পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে বিএনপির নেতাকর্মীরা তাঁকে অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের করে দেন।
ঘটনাটিকে অনাকাঙ্ক্ষিত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য গোলাম ফারুক শাহীন।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির ব্যানারে তাঁরা সবাই ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার কোনো সুযোগ থাকা উচিত নয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মোজাম্মেল হক পিটার। এ সময় জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি সালাহ উদ্দীন নোমান চৌধুরী, ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তোজা এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আব্দুল লতিফ সম্রাট, গিয়াস আহমেদ ও জিল্লুর রহমান জিল্লুসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
































