ঢাকা ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাঁচ কৌশলে নতুন অর্থবছরের নতুন উন্নয়ন সূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৫১:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
  • / 287

রাষ্ট্র সংস্কার, বৈষম্যহীন উন্নয়ন, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, আঞ্চলিক ভারসাম্য ও সামাজিক সংহতিকে ভিত্তি করে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকার এডিপি ( বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি) অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

সোমবার (১৮ মে) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও এনইসি চেয়ারপারসন তারেক রহমান।

সরকার বলছে, শুধু অবকাঠামো নয়; প্রশাসনিক দক্ষতা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়াই হবে নতুন এডিপির মূল লক্ষ্য।

একই সঙ্গে আগামী পাঁচ বছরের কৌশলগত আর্থিক পরিকল্পনার কাঠামোতেও নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনের জিইডির অধীনে একটি উপদেষ্টা কমিটি এটি প্রস্তুত করছে।

সভা সূত্র জানায়, অনুমোদিত এডিপির আকার প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি এবং বৈদেশিক ঋণ-অনুদান থেকে ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে।

এডিপিতে ১ হাজার ২৭৭টি নতুন প্রকল্প সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া পিপিপির আওতায় ৮০টি এবং বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ডের আওতায় ১৪৮টি প্রকল্প অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব রয়েছে। এতে জলবায়ু অভিযোজন ও বেসরকারি বিনিয়োগে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

নতুন এডিপিতে প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি ও আর্থিক শৃঙ্খলার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। জুন ২০২৭ সালের মধ্যে শেষ করা সম্ভব এমন প্রকল্প দ্রুত শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মেয়াদোত্তীর্ণ প্রকল্পে নতুন ব্যয় সীমিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পাঁচ কৌশলে নতুন অর্থবছরের নতুন উন্নয়ন সূচি

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৫১:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

রাষ্ট্র সংস্কার, বৈষম্যহীন উন্নয়ন, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, আঞ্চলিক ভারসাম্য ও সামাজিক সংহতিকে ভিত্তি করে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকার এডিপি ( বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি) অনুমোদন দিয়েছে সরকার।

সোমবার (১৮ মে) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও এনইসি চেয়ারপারসন তারেক রহমান।

সরকার বলছে, শুধু অবকাঠামো নয়; প্রশাসনিক দক্ষতা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়াই হবে নতুন এডিপির মূল লক্ষ্য।

একই সঙ্গে আগামী পাঁচ বছরের কৌশলগত আর্থিক পরিকল্পনার কাঠামোতেও নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনের জিইডির অধীনে একটি উপদেষ্টা কমিটি এটি প্রস্তুত করছে।

সভা সূত্র জানায়, অনুমোদিত এডিপির আকার প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি এবং বৈদেশিক ঋণ-অনুদান থেকে ১ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে।

এডিপিতে ১ হাজার ২৭৭টি নতুন প্রকল্প সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া পিপিপির আওতায় ৮০টি এবং বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ডের আওতায় ১৪৮টি প্রকল্প অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব রয়েছে। এতে জলবায়ু অভিযোজন ও বেসরকারি বিনিয়োগে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

নতুন এডিপিতে প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি ও আর্থিক শৃঙ্খলার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। জুন ২০২৭ সালের মধ্যে শেষ করা সম্ভব এমন প্রকল্প দ্রুত শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মেয়াদোত্তীর্ণ প্রকল্পে নতুন ব্যয় সীমিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।