দেশীয় প্রযুক্তির ইভি গাড়ি চালালেন প্রধানমন্ত্রী
- সর্বশেষ আপডেট ০২:২৭:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
- / 80
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ শনিবার (২৩ মে) সকালে তেজগাঁওস্থ কার্যালয় প্রাঙ্গণে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি প্রথম সম্পূর্ণ ব্যাটারিচালিত ও পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক ভেহিক্যাল (EV) নিজে চালিয়ে দেখেছেন। বাংলাদেশ অটো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের তৈরি একটি স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিক্যাল (SUV) এবং একটি কাভার্ড ভ্যান পরিদর্শন ও চালনার পর তিনি এই দেশীয় উদ্ভাবনের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
একই সাথে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ বৈঠকে মান ও নিরাপত্তা বজায় রেখে বাণিজ্যিকভাবে এই বৈদ্যুতিক যান বাজারজাতকরণে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের নীতিগত সহায়তার আশ্বাস দেন।
ভবিষ্যতের গ্রিন এনার্জি বা পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির মহাসড়কে যুক্ত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ, যা দেশীয় শিল্পের বিকাশকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। আমদানিকৃত জ্বালানি তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিদ্যুতচালিত টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
মূলত দেশীয় প্রযুক্তির ইভি গাড়ি চালালেন প্রধানমন্ত্রী শিরোনামের এই যুগান্তকারী পদক্ষেপটি দেশের মোটর শিল্পে যুক্ত করতে যাচ্ছে এক অভূতপূর্ব মাইলফলক। সকাল ১০টার দিকে কার্যালয়ে পৌঁছে নিজ দপ্তরে প্রবেশের আগেই প্রধানমন্ত্রী এই পরিবেশবান্ধব বাহনগুলো গভীর মনোযোগের সাথে ঘুরে দেখেন।
প্রদর্শনীতে উপস্থিত শীর্ষ কর্মকর্তাদের সামনেই প্রধানমন্ত্রী প্রথমে একটি অত্যাধুনিক লাল রঙের এসইউভি এবং পরবর্তীতে একটি মালবাহী কাভার্ড ভ্যান নিজে ড্রাইভ করে এর কার্যকারিতা পরীক্ষা করেন। বর্তমানে দেশীয় প্রযুক্তির ইভি গাড়ি চালালেন প্রধানমন্ত্রী এই খবরের সূত্র ধরে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা জানান যে, গাড়িগুলো আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড বজায় রেখে তৈরি করা হয়েছে। এসব এসইউভি গাড়ি একবার ফুল চার্জ দিলে অনায়াসে ৪৫০ কিলোমিটারের বেশি পথ পাড়ি দিতে সক্ষম, যেখানে দ্রুত চার্জিংয়ের জন্য মাত্র আধ ঘণ্টা সময় লাগবে।
চালনা শেষে প্রধানমন্ত্রী কোম্পানির শীর্ষ কর্মকর্তা এ মান্নান হোসেন ও মীর মাসুদ কবিরকে নিয়ে নিজ দপ্তরে এক জরুরি বৈঠকে বসেন, যেখানে গাড়িগুলোর বাণিজ্যিক বাজারজাতকরণ নিয়ে আলোচনা হয়। বর্তমানে দেশীয় প্রযুক্তির ইভি গাড়ি চালালেন প্রধানমন্ত্রী এই বাস্তবতায় নির্মাতারা কাঁচামাল আমদানিতে বিশেষ শুল্ক ছাড়ের দাবি জানিয়েছেন, যাতে সাধারণ মানুষের বাজেটের মধ্যে গাড়িগুলো সাশ্রয়ী মূল্যে বাজারে আনা সম্ভব হয়।
































