থাইল্যান্ডে ভূমজাইথাইয়ের নিরঙ্কুশ জয়, গণভোটের পক্ষে রায়
- সর্বশেষ আপডেট ১১:২০:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
- / 114
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ডের সাম্প্রতিক সাধারণ নির্বাচনে বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চানভিরাকুল। এর মাধ্যমে নিজের ক্ষমতা আরও সুসংহত করলেন তিনি। তার নেতৃত্বাধীন ভূমজাইথাই পার্টির এই বিজয়ে দেশটিতে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতার অবসান ঘটিয়ে তুলনামূলক স্থিতিশীল সরকার গঠনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স বলছে, গত বছরের ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার সীমান্ত সংঘাতের মধ্যে আনুতিন আকস্মিক নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা দেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জাতীয়তাবাদী আবেগ চরমে ওঠার সময়টিকে কাজে লাগাতেই রক্ষণশীল এই নেতা নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করেছিলেন। পরে এই কৌশল কার্যকর প্রমাণিত হয়। কম্বোডিয়া সংকটকে কেন্দ্র করে জনতাবাদী পেউ থাই পার্টির প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর আনুতিন দায়িত্ব নেন। এরপর ১০০ দিনেরও কম সময়ের মধ্যে তিনি সংসদ ভেঙে দেন এবং নতুন নির্বাচনের ডাক দেন।
নির্বাচনে জয়ের পর আনুতিন বলেন, ‘আজকের এই জয় কেবল ভূমজাইথাই পার্টির নয়, আপনি আমাদের ভোট দিন বা না দিন এটি সব থাই নাগরিকের জয়। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে থাই জনগণের সেবা করতে চাই।’
প্রায় ৯৫ শতাংশ ভোটকেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক হিসাবে দেখা যায়, ভূমজাইথাই পার্টি পেয়েছে প্রায় ১৯২টি আসন। প্রগতিশীল পিপলস পার্টি পেয়েছে ১১৭টি এবং একসময় প্রভাবশালী পেউ থাই পার্টি পেয়েছে ৭৪টি আসন। রয়টার্সের হিসাবে, বাকি কয়েকটি দল মিলে ৫০০ আসনের সংসদে মোট ১১৭টি আসন পেয়েছে।
এদিকে রোববার সংবিধান সংশোধন প্রশ্নে গণভোটও হয়েছে। নির্বাচনের পাশাপাশি হওয়া এই গণভোটে ভোটারদের কাছে জানতে চাওয়া হয়, ২০১৭ সালে সামরিক বাহিনীর প্রণীত সংবিধানের পরিবর্তে নতুন সংবিধান প্রণয়ন করা হবে কি না। এতে গণভোটে নতুন সংবিধানের পক্ষে রায় দিয়েছেন থাই জনগণ।
































