ঢাকা ০৪:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১

ট্রাম্পের সঙ্গে আলাদা বৈঠকের সুযোগ কম

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:০৭:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 20

নিউইয়র্ক হোটেলের লবিতে সংবাদ সম্মেলন

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্ক সফর উপলক্ষে কর্মসূচি ও সফরের লক্ষ্য তুলে ধরেছে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল। স্থানীয় সময় সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টায় ম্যানহাটনের হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক হোটেলের লবিতে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আলাদা বৈঠকের সম্ভাবনা নিয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-০১ হুমায়ুন কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মূল উদ্দেশ্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নেওয়া। ফলে ট্রাম্পের সঙ্গে আলাদা করে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের তেমন সুযোগ থাকছে না।
তবে ট্রাম্প ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে চিঠি দিয়ে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিষয়টি দ্বিপক্ষীয়ভাবে বিবেচনা করা হবে এবং উভয় পক্ষের জন্য সুবিধাজনক সময়ে পূর্ণাঙ্গ দ্বিপক্ষীয় সফরের মাধ্যমে বৈঠক আয়োজনের বিষয়টি দেখা হতে পারে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে গত ৩১ আগস্ট একটি চিঠি দেন ট্রাম্প। ওই চিঠিতে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের সঙ্গে অদূর ভবিষ্যতে সাক্ষাতের প্রত্যাশার কথাও জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
সফরে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি গুরুত্ব পাবে কি না; এমন প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন কবির বলেন, নিউইয়র্ক সফরে অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে আলোচনার সুযোগ খুবই সীমিত। বরং গণতান্ত্রিক উত্তরণের পর নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা, নেতৃত্ব ও নীতিগত অবস্থান বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরাই হবে প্রধান লক্ষ্য।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীর সংখ্যা কমিয়ে আনার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন বলেন, প্রচলিত ধারা থেকে বেরিয়ে এবার সীমিত পরিসরে প্রতিনিধিদল গঠন করা হয়েছে। আনুষ্ঠানিক প্রতিনিধিদলে রয়েছেন ৩৩ জন। এর বাইরে নিরাপত্তাকর্মী, প্রয়োজনীয় গণমাধ্যমকর্মী এবং প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কয়েকজন কর্মী রয়েছেন।
রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় রোধের পাশাপাশি বহুপক্ষীয় কূটনীতিতে দেশের স্বার্থ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতেই সফরসঙ্গীর সংখ্যা সীমিত রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ, জাতিসংঘে বাংলাদেশের উপস্থায়ী প্রতিনিধি এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১

ট্রাম্পের সঙ্গে আলাদা বৈঠকের সুযোগ কম

সর্বশেষ আপডেট ১২:০৭:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্ক সফর উপলক্ষে কর্মসূচি ও সফরের লক্ষ্য তুলে ধরেছে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল। স্থানীয় সময় সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টায় ম্যানহাটনের হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক হোটেলের লবিতে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর আলাদা বৈঠকের সম্ভাবনা নিয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-০১ হুমায়ুন কবির বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মূল উদ্দেশ্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নেওয়া। ফলে ট্রাম্পের সঙ্গে আলাদা করে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের তেমন সুযোগ থাকছে না।
তবে ট্রাম্প ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে চিঠি দিয়ে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিষয়টি দ্বিপক্ষীয়ভাবে বিবেচনা করা হবে এবং উভয় পক্ষের জন্য সুবিধাজনক সময়ে পূর্ণাঙ্গ দ্বিপক্ষীয় সফরের মাধ্যমে বৈঠক আয়োজনের বিষয়টি দেখা হতে পারে।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানিয়ে গত ৩১ আগস্ট একটি চিঠি দেন ট্রাম্প। ওই চিঠিতে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের সঙ্গে অদূর ভবিষ্যতে সাক্ষাতের প্রত্যাশার কথাও জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
সফরে দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি গুরুত্ব পাবে কি না; এমন প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন কবির বলেন, নিউইয়র্ক সফরে অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে আলোচনার সুযোগ খুবই সীমিত। বরং গণতান্ত্রিক উত্তরণের পর নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা, নেতৃত্ব ও নীতিগত অবস্থান বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরাই হবে প্রধান লক্ষ্য।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীর সংখ্যা কমিয়ে আনার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন বলেন, প্রচলিত ধারা থেকে বেরিয়ে এবার সীমিত পরিসরে প্রতিনিধিদল গঠন করা হয়েছে। আনুষ্ঠানিক প্রতিনিধিদলে রয়েছেন ৩৩ জন। এর বাইরে নিরাপত্তাকর্মী, প্রয়োজনীয় গণমাধ্যমকর্মী এবং প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত কয়েকজন কর্মী রয়েছেন।
রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় রোধের পাশাপাশি বহুপক্ষীয় কূটনীতিতে দেশের স্বার্থ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিতেই সফরসঙ্গীর সংখ্যা সীমিত রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ, জাতিসংঘে বাংলাদেশের উপস্থায়ী প্রতিনিধি এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।