ঢাকা ১০:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

টুকুর পিও মোকলেসসহ দুই নেতা কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:৫৪:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • / 25

টুকুর পিও মোকলেসসহ দুই নেতা কারাগারে

২০১৭ সালে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানিয়ে মিছিলের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বিএনপি নেতাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তারা হলেন ঢাকা মহানগর উত্তর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোকলেস মিয়া ও যাত্রাবাড়ী থানা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম।

মোকলেস মিয়া টাঙ্গাইল সদর আসনের সংসদ সদস্য ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন মোকলেস ও জাহিদুল। শুনানি শেষে ম্যাজিস্ট্রেট রিয়াদ হাসান তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ২২ জুন খালেদা জিয়া আদালতে যাওয়ার সময় তাকে স্বাগত জানাতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় ঈদগাহের প্রথম গেটের সামনে মিছিল করেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে শাহবাগ থানায় মামলা করা হয়।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ৩২ জন সাক্ষীর তালিকা দিলেও আদালতে সাক্ষ্য দেন নয়জন। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ২০২৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২৬-এর বিচারক মোকলেস মিয়া ও জাহিদুল ইসলামকে দণ্ডবিধির ৩৫৩ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেন।

রায়ে তাদের প্রত্যেককে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে মহানগর দায়রা জজ আদালতে আপিল করেন দুই আসামি। আপিলে নিম্ন আদালতের রায় বাতিল করে তাদের খালাস এবং আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জামিনের আবেদন করা হয়েছে।

সোমবার আত্মসমর্পণের পর তাদের পক্ষে জামিনের আবেদন করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহবুবুল আলম। তিনি আদালতে দাবি করেন, ২০১৭ সালে তৎকালীন সরকারের আমলে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করে সাজা দেওয়া হয়েছিল। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করলেও আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। সাজা বাতিল ও জামিনের জন্য তারা আইনগতভাবে আবারও আবেদন করবেন বলে জানান তিনি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

টুকুর পিও মোকলেসসহ দুই নেতা কারাগারে

সর্বশেষ আপডেট ০৮:৫৪:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

২০১৭ সালে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানিয়ে মিছিলের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত দুই বিএনপি নেতাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। তারা হলেন ঢাকা মহানগর উত্তর শ্রমিক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোকলেস মিয়া ও যাত্রাবাড়ী থানা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম।

মোকলেস মিয়া টাঙ্গাইল সদর আসনের সংসদ সদস্য ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকুর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন মোকলেস ও জাহিদুল। শুনানি শেষে ম্যাজিস্ট্রেট রিয়াদ হাসান তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৭ সালের ২২ জুন খালেদা জিয়া আদালতে যাওয়ার সময় তাকে স্বাগত জানাতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় ঈদগাহের প্রথম গেটের সামনে মিছিল করেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে শাহবাগ থানায় মামলা করা হয়।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ৩২ জন সাক্ষীর তালিকা দিলেও আদালতে সাক্ষ্য দেন নয়জন। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ২০২৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২৬-এর বিচারক মোকলেস মিয়া ও জাহিদুল ইসলামকে দণ্ডবিধির ৩৫৩ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেন।

রায়ে তাদের প্রত্যেককে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধে মহানগর দায়রা জজ আদালতে আপিল করেন দুই আসামি। আপিলে নিম্ন আদালতের রায় বাতিল করে তাদের খালাস এবং আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত জামিনের আবেদন করা হয়েছে।

সোমবার আত্মসমর্পণের পর তাদের পক্ষে জামিনের আবেদন করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহবুবুল আলম। তিনি আদালতে দাবি করেন, ২০১৭ সালে তৎকালীন সরকারের আমলে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করে সাজা দেওয়া হয়েছিল। আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তারা আদালতে আত্মসমর্পণ করলেও আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। সাজা বাতিল ও জামিনের জন্য তারা আইনগতভাবে আবারও আবেদন করবেন বলে জানান তিনি।