ঢাকা ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কাতার-বাহরাইন থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার শুরু

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪০:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 150

১৭ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে সিরিয়ার সীমান্তের কাছে মার্কিন সেনারা তাদের সামরিক যানবাহনে টহল দিচ্ছে

ইরানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত সেনা কমাতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। কাতার ও বাহরাইনের সামরিক ঘাঁটি থেকে শত শত মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস পেন্টাগনের গোপন সূত্রের বরাতে জানায়, কাতারের দোহায় অবস্থিত আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে ইতোমধ্যে কয়েকশ সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে এটি যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম সামরিক ঘাঁটি, যেখানে সাধারণত প্রায় ১০ হাজার সেনা মোতায়েন থাকে। একইভাবে বাহরাইন থেকেও কিছু সেনা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। দেশটিতে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম বহরের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।

এর আগে আল জাজিরা জানিয়েছিল, সিরিয়ায় থাকা প্রায় এক হাজার মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের প্রস্তুতি নিচ্ছে ওয়াশিংটন।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা হামলার আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্র এই পদক্ষেপকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে নিচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, ওয়াশিংটন যদি তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালায়, তবে ইরান অঞ্চলজুড়ে মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে।

গত সপ্তাহে জাতিসংঘে ইরানের মিশন এক চিঠিতে সতর্ক করে জানায়, দেশটি আক্রান্ত হলে অঞ্চলে থাকা প্রতিপক্ষের সব সামরিক ঘাঁটি ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং এর দায় যুক্তরাষ্ট্রকেই নিতে হবে।

যদিও কাতার ও বাহরাইন থেকে সেনা কমানো হয়েছে, তবুও ইরাক, সিরিয়া, কুয়েত, সৌদি আরব, জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন ঘাঁটিতে এখনো মার্কিন বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। এ বিষয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কাতার-বাহরাইন থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার শুরু

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪০:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইরানের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত সেনা কমাতে শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। কাতার ও বাহরাইনের সামরিক ঘাঁটি থেকে শত শত মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস পেন্টাগনের গোপন সূত্রের বরাতে জানায়, কাতারের দোহায় অবস্থিত আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে ইতোমধ্যে কয়েকশ সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে এটি যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম সামরিক ঘাঁটি, যেখানে সাধারণত প্রায় ১০ হাজার সেনা মোতায়েন থাকে। একইভাবে বাহরাইন থেকেও কিছু সেনা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। দেশটিতে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম বহরের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।

এর আগে আল জাজিরা জানিয়েছিল, সিরিয়ায় থাকা প্রায় এক হাজার মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের প্রস্তুতি নিচ্ছে ওয়াশিংটন।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা হামলার আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্র এই পদক্ষেপকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে নিচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, ওয়াশিংটন যদি তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালায়, তবে ইরান অঞ্চলজুড়ে মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে।

গত সপ্তাহে জাতিসংঘে ইরানের মিশন এক চিঠিতে সতর্ক করে জানায়, দেশটি আক্রান্ত হলে অঞ্চলে থাকা প্রতিপক্ষের সব সামরিক ঘাঁটি ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং এর দায় যুক্তরাষ্ট্রকেই নিতে হবে।

যদিও কাতার ও বাহরাইন থেকে সেনা কমানো হয়েছে, তবুও ইরাক, সিরিয়া, কুয়েত, সৌদি আরব, জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন ঘাঁটিতে এখনো মার্কিন বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। এ বিষয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি।