ঢাকা ১০:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এনসিপির বিরুদ্ধে চার অভিযোগ, পদত্যাগ সামান্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩১:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • / 58

সামান্তা শারমিন

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়কের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন সামান্তা শারমিন। জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট, দলের আদর্শচ্যুতি, রাজনীতিতে নারীর অধিকার উপেক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের অভাবকে পদত্যাগের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) নিজের পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে দেওয়া এক দীর্ঘ বিবৃতিতে দলের রাজনৈতিক অবস্থান ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন সামান্তা। একই সঙ্গে নতুন ধারার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

বিবৃতিতে সামান্তা শারমিন বলেন, প্রায় এক বছর আগে এনসিপির জোট গঠনের প্রশ্নে তিনি ভিন্নমত পোষণ করেছিলেন। জামায়াতে ইসলামী নীতিগত কিংবা কৌশলগত কোনো বিবেচনাতেই এনসিপির রাজনৈতিক মিত্র হতে পারে না বলে মনে করেন তিনি। গত ১১ মাসে লিখিত অভিযোগ, প্রস্তাব ও আলোচনার মাধ্যমে দলকে ভুল রাজনৈতিক পথ থেকে ফেরানোর চেষ্টা করেও সফল হননি বলে দাবি করেন তিনি।

পদত্যাগের পেছনে চারটি প্রধান কারণ তুলে ধরেছেন সামান্তা শারমিন।

জামায়াতের সঙ্গে জোট ও আদর্শিক বিরোধ

সামান্তার অভিযোগ, এনসিপির রাজনীতির অন্যতম ভিত্তি ছিল রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংস্কার। কিন্তু জামায়াতে ইসলামী সাংবিধানিক, আইনি ও রাজনৈতিক সংস্কারের প্রকৃত সমর্থক নয়। দলটির দার্শনিক ভিত্তি ও রাষ্ট্রচিন্তাও গণতান্ত্রিক নয় বলে দাবি করেন তিনি।

তার মতে, জামায়াত সংস্কারের কথা বললেও তা মূলত ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারের কৌশল। ১৯৭১ সালে দলটির ভূমিকা এবং সে জন্য জাতির কাছে ক্ষমা না চাওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি।

সামান্তার অভিযোগ, জামায়াতের সঙ্গে জোটের কারণে এনসিপির নিজস্ব রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল হয়েছে। উদার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী মানুষেরাও দলটির সংস্কারের রাজনীতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছেন।

নির্বাচনকে ক্ষমতা পরিবর্তনের হাতিয়ার করা

২০২৬ সালের নির্বাচনকে রাজনৈতিক পরিবর্তনের সুযোগ হিসেবে কাজে লাগানোর সম্ভাবনা ছিল বলে মনে করেন সামান্তা। তার অভিযোগ, এনসিপি সেই সুযোগ কাজে না লাগিয়ে বড় রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট করে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তিনি বলেন, সংস্কারবিহীন রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এবং নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠার সুযোগ ছিল এনসিপির সামনে। এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়া কিংবা পুরোনো রাজনৈতিক কাঠামোর পরিবর্তন চাওয়া শক্তিগুলোর সঙ্গে ভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক ঐক্য গড়ার বিকল্পও ছিল।

সামান্তার দাবি, ১১ দলীয় জোটে অংশ না নিয়েও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের পাঁচটি বিকল্প কৌশল তিনি দলীয় নেতৃত্বকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু নেতৃত্ব নির্বাচনী জয়কে রাজনৈতিক পরিবর্তনের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে শহীদ ওসমান হাদির নির্বাচনী প্রচারণার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, হাদির মৃত্যুকে বড় দলের সঙ্গে জোট করার যুক্তি হিসেবে ব্যবহার করা অযৌক্তিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

গণঅভ্যুত্থানে নারীর ভূমিকার স্বীকৃতি না দেওয়া

এনসিপির বিরুদ্ধে নারীর রাজনৈতিক অধিকার ও নেতৃত্বের যথাযথ স্বীকৃতি না দেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন সামান্তা। তার মতে, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে নারীরা সম্মুখসারির যোদ্ধা, প্রতিরোধকারী ও আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ভূমিকা রেখেছেন।

তিনি বলেন, নারীর রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে অবস্থান ছিল গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম ভিত্তি। অথচ নতুন রাজনৈতিক দল হিসেবে এনসিপির সামনে নারী-পুরুষের সমতার ভিত্তিতে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার সুযোগ থাকলেও দলটি তা কাজে লাগায়নি।

সামান্তার অভিযোগ, নারীদের শুধু দলে অন্তর্ভুক্ত করাই যথেষ্ট নয়; নেতৃত্ব, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সাংগঠনিক ক্ষমতায় তাদের মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কিন্তু এনসিপিতে পুরুষ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং নারীদের প্রতিবাদ ও মতামত যথাযথ গুরুত্ব পায়নি।

কাউন্সিল ছাড়াই সাংগঠনিক পুনর্গঠন

এনসিপির অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের চর্চা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন পদত্যাগী এই নেতা। তার অভিযোগ, পুরোনো রাজনৈতিক দলগুলোর মতো এনসিপিতেও ব্যক্তিকেন্দ্রিক নেতৃত্ব, ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ, স্বজনপ্রীতি এবং ভিন্নমত দমনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, কাউন্সিলের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন না করে পুনরায় আহ্বায়ক কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। এতে দলের অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নেতৃত্ব নির্বাচনের আগে এ ধরনের সাংগঠনিক রদবদল নেতৃত্বের জবাবদিহি ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।

সামান্তার মতে, যে দল নিজের অভ্যন্তরে গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব নির্বাচন নিশ্চিত করতে পারে না, সেই দলের পক্ষে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে গণতন্ত্র ও নিরপেক্ষতার দাবি তোলার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন থেকে যায়।

সবশেষে সামান্তা শারমিন বলেন, এনসিপির প্রাথমিক রাজনৈতিক মূল্যবোধের প্রতি দলটি আর আন্তরিক থাকতে পারবে না; এমন উপলব্ধি থেকেই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে দেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে নতুন ধারার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলেও মনে করেন তিনি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এনসিপির বিরুদ্ধে চার অভিযোগ, পদত্যাগ সামান্তার

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩১:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়কের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন সামান্তা শারমিন। জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট, দলের আদর্শচ্যুতি, রাজনীতিতে নারীর অধিকার উপেক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের অভাবকে পদত্যাগের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) নিজের পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে দেওয়া এক দীর্ঘ বিবৃতিতে দলের রাজনৈতিক অবস্থান ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন সামান্তা। একই সঙ্গে নতুন ধারার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

বিবৃতিতে সামান্তা শারমিন বলেন, প্রায় এক বছর আগে এনসিপির জোট গঠনের প্রশ্নে তিনি ভিন্নমত পোষণ করেছিলেন। জামায়াতে ইসলামী নীতিগত কিংবা কৌশলগত কোনো বিবেচনাতেই এনসিপির রাজনৈতিক মিত্র হতে পারে না বলে মনে করেন তিনি। গত ১১ মাসে লিখিত অভিযোগ, প্রস্তাব ও আলোচনার মাধ্যমে দলকে ভুল রাজনৈতিক পথ থেকে ফেরানোর চেষ্টা করেও সফল হননি বলে দাবি করেন তিনি।

পদত্যাগের পেছনে চারটি প্রধান কারণ তুলে ধরেছেন সামান্তা শারমিন।

জামায়াতের সঙ্গে জোট ও আদর্শিক বিরোধ

সামান্তার অভিযোগ, এনসিপির রাজনীতির অন্যতম ভিত্তি ছিল রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংস্কার। কিন্তু জামায়াতে ইসলামী সাংবিধানিক, আইনি ও রাজনৈতিক সংস্কারের প্রকৃত সমর্থক নয়। দলটির দার্শনিক ভিত্তি ও রাষ্ট্রচিন্তাও গণতান্ত্রিক নয় বলে দাবি করেন তিনি।

তার মতে, জামায়াত সংস্কারের কথা বললেও তা মূলত ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারের কৌশল। ১৯৭১ সালে দলটির ভূমিকা এবং সে জন্য জাতির কাছে ক্ষমা না চাওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি।

সামান্তার অভিযোগ, জামায়াতের সঙ্গে জোটের কারণে এনসিপির নিজস্ব রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল হয়েছে। উদার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী মানুষেরাও দলটির সংস্কারের রাজনীতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছেন।

নির্বাচনকে ক্ষমতা পরিবর্তনের হাতিয়ার করা

২০২৬ সালের নির্বাচনকে রাজনৈতিক পরিবর্তনের সুযোগ হিসেবে কাজে লাগানোর সম্ভাবনা ছিল বলে মনে করেন সামান্তা। তার অভিযোগ, এনসিপি সেই সুযোগ কাজে না লাগিয়ে বড় রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট করে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তিনি বলেন, সংস্কারবিহীন রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এবং নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠার সুযোগ ছিল এনসিপির সামনে। এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়া কিংবা পুরোনো রাজনৈতিক কাঠামোর পরিবর্তন চাওয়া শক্তিগুলোর সঙ্গে ভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক ঐক্য গড়ার বিকল্পও ছিল।

সামান্তার দাবি, ১১ দলীয় জোটে অংশ না নিয়েও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের পাঁচটি বিকল্প কৌশল তিনি দলীয় নেতৃত্বকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু নেতৃত্ব নির্বাচনী জয়কে রাজনৈতিক পরিবর্তনের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে শহীদ ওসমান হাদির নির্বাচনী প্রচারণার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, হাদির মৃত্যুকে বড় দলের সঙ্গে জোট করার যুক্তি হিসেবে ব্যবহার করা অযৌক্তিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

গণঅভ্যুত্থানে নারীর ভূমিকার স্বীকৃতি না দেওয়া

এনসিপির বিরুদ্ধে নারীর রাজনৈতিক অধিকার ও নেতৃত্বের যথাযথ স্বীকৃতি না দেওয়ার অভিযোগও তুলেছেন সামান্তা। তার মতে, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে নারীরা সম্মুখসারির যোদ্ধা, প্রতিরোধকারী ও আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ভূমিকা রেখেছেন।

তিনি বলেন, নারীর রাজনৈতিক আকাঙ্ক্ষা, বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে অবস্থান ছিল গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম ভিত্তি। অথচ নতুন রাজনৈতিক দল হিসেবে এনসিপির সামনে নারী-পুরুষের সমতার ভিত্তিতে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার সুযোগ থাকলেও দলটি তা কাজে লাগায়নি।

সামান্তার অভিযোগ, নারীদের শুধু দলে অন্তর্ভুক্ত করাই যথেষ্ট নয়; নেতৃত্ব, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সাংগঠনিক ক্ষমতায় তাদের মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান নিশ্চিত করা প্রয়োজন। কিন্তু এনসিপিতে পুরুষ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং নারীদের প্রতিবাদ ও মতামত যথাযথ গুরুত্ব পায়নি।

কাউন্সিল ছাড়াই সাংগঠনিক পুনর্গঠন

এনসিপির অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের চর্চা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন পদত্যাগী এই নেতা। তার অভিযোগ, পুরোনো রাজনৈতিক দলগুলোর মতো এনসিপিতেও ব্যক্তিকেন্দ্রিক নেতৃত্ব, ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ, স্বজনপ্রীতি এবং ভিন্নমত দমনের প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, কাউন্সিলের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন না করে পুনরায় আহ্বায়ক কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। এতে দলের অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নেতৃত্ব নির্বাচনের আগে এ ধরনের সাংগঠনিক রদবদল নেতৃত্বের জবাবদিহি ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে।

সামান্তার মতে, যে দল নিজের অভ্যন্তরে গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব নির্বাচন নিশ্চিত করতে পারে না, সেই দলের পক্ষে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে গণতন্ত্র ও নিরপেক্ষতার দাবি তোলার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন থেকে যায়।

সবশেষে সামান্তা শারমিন বলেন, এনসিপির প্রাথমিক রাজনৈতিক মূল্যবোধের প্রতি দলটি আর আন্তরিক থাকতে পারবে না; এমন উপলব্ধি থেকেই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে দেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে নতুন ধারার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে বলেও মনে করেন তিনি।