ঢাকা ০৪:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরান নয়, যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহে চুক্তি : খামেনি

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪৬:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
  • / 6

যুক্তরাষ্ট্র–ইরান পারমাণবিক ইস্যুতে সাম্প্রতিক সমঝোতা ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি দাবি করেছেন, চুক্তিটি ইরানের চেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল যুক্তরাষ্ট্রের, আর সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে “মরিয়া” হয়ে উঠেছিলেন।

খামেনির বক্তব্যে মূল জোর ছিল রাজনৈতিক চাপ ও দরকষাকষির ভারসাম্যের প্রশ্নে। তাঁর মতে, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকেই বেশি আগ্রহ ও তাড়াহুড়া দেখা গেছে, যা চুক্তির গতিপথকে প্রভাবিত করেছে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।

বিবৃতিতে তিনি আরও জানান, ব্যক্তিগতভাবে তিনি এই সমঝোতা স্মারকের পক্ষে ছিলেন না। তবে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জনগণের স্বার্থ ও আঞ্চলিক প্রতিরোধ শক্তির অবস্থান বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নিলে শেষ পর্যন্ত অনুমোদন আসে।

চুক্তিটি নিয়ে জানা যায়, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও সাম্প্রতিক সংঘাতের পর ১৪ দফা একটি খসড়া “ইসলামাবাদ এমওইউ” হিসেবে আলোচনায় আসে। মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। প্রায় এক মাসের আলোচনার পর উভয় পক্ষ এতে সম্মত হয় বলে দাবি করা হয়।

এর ধারাবাহিকতায় প্যারিসে জি–৭ সম্মেলনের ফাঁকে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাশে ছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। পরে তেহরানেও একই নথিতে স্বাক্ষর সম্পন্ন হয় ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের মাধ্যমে।

চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে স্থায়ী সমঝোতা নিয়ে আলোচনা চলবে। এই সময়ে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্য চলাচল এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিলের মতো বিষয়গুলো অস্থায়ীভাবে কার্যকর রাখার কথা বলা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইরান নয়, যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহে চুক্তি : খামেনি

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪৬:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র–ইরান পারমাণবিক ইস্যুতে সাম্প্রতিক সমঝোতা ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি দাবি করেছেন, চুক্তিটি ইরানের চেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল যুক্তরাষ্ট্রের, আর সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত সমঝোতায় পৌঁছাতে “মরিয়া” হয়ে উঠেছিলেন।

খামেনির বক্তব্যে মূল জোর ছিল রাজনৈতিক চাপ ও দরকষাকষির ভারসাম্যের প্রশ্নে। তাঁর মতে, ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকেই বেশি আগ্রহ ও তাড়াহুড়া দেখা গেছে, যা চুক্তির গতিপথকে প্রভাবিত করেছে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।

বিবৃতিতে তিনি আরও জানান, ব্যক্তিগতভাবে তিনি এই সমঝোতা স্মারকের পক্ষে ছিলেন না। তবে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জনগণের স্বার্থ ও আঞ্চলিক প্রতিরোধ শক্তির অবস্থান বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নিলে শেষ পর্যন্ত অনুমোদন আসে।

চুক্তিটি নিয়ে জানা যায়, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও সাম্প্রতিক সংঘাতের পর ১৪ দফা একটি খসড়া “ইসলামাবাদ এমওইউ” হিসেবে আলোচনায় আসে। মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের ভূমিকার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। প্রায় এক মাসের আলোচনার পর উভয় পক্ষ এতে সম্মত হয় বলে দাবি করা হয়।

এর ধারাবাহিকতায় প্যারিসে জি–৭ সম্মেলনের ফাঁকে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাশে ছিলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। পরে তেহরানেও একই নথিতে স্বাক্ষর সম্পন্ন হয় ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের মাধ্যমে।

চুক্তি অনুযায়ী, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে স্থায়ী সমঝোতা নিয়ে আলোচনা চলবে। এই সময়ে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্য চলাচল এবং নিষেধাজ্ঞা শিথিলের মতো বিষয়গুলো অস্থায়ীভাবে কার্যকর রাখার কথা বলা হয়েছে।