ঢাকা ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আটক অবস্থায় দাদির মৃত্যুর খবর পেলেন অভিজিৎ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪৯:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • / 14

আটক অবস্থায় দাদির মৃত্যুর খবর পেলেন অভিজিৎ

ভারতের দিল্লিতে আটক থাকা ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে তার দাদির মৃত্যুর খবর জানিয়েছে পুলিশ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দলটির প্রস্তাবিত বিক্ষোভের আগে তাকে আটক করা হয়।

শনিবার (১০ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের বরাতে দিল্লি পুলিশের সূত্র জানায়, আটক থাকা অবস্থায় বিক্ষোভ চালিয়ে যাবেন, নাকি দাদির শেষকৃত্যে অংশ নিতে বাড়ি ফিরবেন; সে সিদ্ধান্ত অভিজিৎ দীপকেকেই নিতে হবে।

পরিবারের সূত্রের বরাতে পিটিআই জানায়, দীপকের দাদি সাবিত্রীবাই শঙ্কররাও দীপকে (৮৫) শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মহারাষ্ট্রের হিঙ্গোলি জেলার সান্তুক পিম্পরি গ্রামের নিজ বাড়িতে মারা যান। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন তিনি। প্রায় এক মাস অসুস্থ থাকার পর তাকে হিঙ্গোলির একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। রোববার সকাল ১০টায় তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

দীপকের এক চাচাতো ভাই জানান, দিল্লিতে আটক থাকায় পরিবারের সদস্যরা তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি। তবে তার মা-বাবাকে মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছে। তারা গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

তিনি আরও জানান, গত ১৫ আগস্ট হিঙ্গোলি জেলায় ‘স্কুল ঠিক করো’ কর্মসূচি শুরুর সময় দাদির সঙ্গে দেখা করেছিলেন দীপকে। এরপর আরও একবার তাদের দেখা হয়। তবে গত ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে আর দাদির সঙ্গে দেখা করার সুযোগ হয়নি তার।

শনিবার মুম্বাই থেকে দিল্লিতে পৌঁছানোর পর দীপকে, সিজেপির সহ-আহ্বায়ক সৌরভ দাস এবং দলটির নেতা আশুতোষ রানকাকে আটক করে দিল্লি পুলিশ।

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ‘যন্তর মন্তর ২.০’ নামে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করেছিল সিজেপি। এতে অংশ নিতেই দিল্লিতে গিয়েছিলেন দলটির নেতারা।

তবে জননিরাপত্তা, যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে ওই কর্মসূচির অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বিক্ষোভ ঘিরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়।

সিজেপি জানিয়েছে, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার দাবিতে তাদের প্রচার ও আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন কার্যক্রমের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে জবাবদিহির আওতায় আনার দাবিও জানিয়েছে দলটি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আটক অবস্থায় দাদির মৃত্যুর খবর পেলেন অভিজিৎ

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪৯:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের দিল্লিতে আটক থাকা ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে তার দাদির মৃত্যুর খবর জানিয়েছে পুলিশ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দলটির প্রস্তাবিত বিক্ষোভের আগে তাকে আটক করা হয়।

শনিবার (১০ অক্টোবর) বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের বরাতে দিল্লি পুলিশের সূত্র জানায়, আটক থাকা অবস্থায় বিক্ষোভ চালিয়ে যাবেন, নাকি দাদির শেষকৃত্যে অংশ নিতে বাড়ি ফিরবেন; সে সিদ্ধান্ত অভিজিৎ দীপকেকেই নিতে হবে।

পরিবারের সূত্রের বরাতে পিটিআই জানায়, দীপকের দাদি সাবিত্রীবাই শঙ্কররাও দীপকে (৮৫) শনিবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে মহারাষ্ট্রের হিঙ্গোলি জেলার সান্তুক পিম্পরি গ্রামের নিজ বাড়িতে মারা যান। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন তিনি। প্রায় এক মাস অসুস্থ থাকার পর তাকে হিঙ্গোলির একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। রোববার সকাল ১০টায় তার শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

দীপকের এক চাচাতো ভাই জানান, দিল্লিতে আটক থাকায় পরিবারের সদস্যরা তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি। তবে তার মা-বাবাকে মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছে। তারা গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।

তিনি আরও জানান, গত ১৫ আগস্ট হিঙ্গোলি জেলায় ‘স্কুল ঠিক করো’ কর্মসূচি শুরুর সময় দাদির সঙ্গে দেখা করেছিলেন দীপকে। এরপর আরও একবার তাদের দেখা হয়। তবে গত ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে আর দাদির সঙ্গে দেখা করার সুযোগ হয়নি তার।

শনিবার মুম্বাই থেকে দিল্লিতে পৌঁছানোর পর দীপকে, সিজেপির সহ-আহ্বায়ক সৌরভ দাস এবং দলটির নেতা আশুতোষ রানকাকে আটক করে দিল্লি পুলিশ।

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ‘যন্তর মন্তর ২.০’ নামে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করেছিল সিজেপি। এতে অংশ নিতেই দিল্লিতে গিয়েছিলেন দলটির নেতারা।

তবে জননিরাপত্তা, যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে ওই কর্মসূচির অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বিক্ষোভ ঘিরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়।

সিজেপি জানিয়েছে, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করার দাবিতে তাদের প্রচার ও আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন কার্যক্রমের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে জবাবদিহির আওতায় আনার দাবিও জানিয়েছে দলটি।