ঢাকা ০৫:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অবশেষে ধরা পড়লো শিশু তরীর খুনি

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:১৪:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 99

চট্টগ্রামে শিশু হত্যার ধারাবাহিক ঘটনাগুলো একসময় সারাদেশে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভের জন্ম দিয়েছিল। আরিয়ান, আয়াত, সুরমা, বর্ষার মতোই সেই তালিকায় ছিল আরেক শিশু-নুসরাত জাহান তরী। চার বছর পর অবশেষে তরী হত্যার রহস্য উদঘাটন হয়েছে।

শনিবার (৭ ডিসেম্বর) বিকেলে শিশু তরী হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার আসামি রাসেল হোসেন শেখ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু বক্কর সিদ্দিকের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

সন্ধ্যায় বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক মর্জিনা আক্তার মরজু।

২০২১ সালের ২৭ জুন চান্দগাঁও থানার বাহির সিগন্যাল মোড় এলাকায় নিজের বাসায় ৫ বছরের শিশু তরীকে রেখে কর্মস্থলে যান তার মা ফাতেমা বেগম। দুপুরে ফিরে তিনি খাটের নিচে সন্তানের লাশ দেখতে পান। ঘটনার দুই দিনের মাথায় ইমন নামে এক কিশোরকে পুলিশ গ্রেপ্তার করলেও পিবিআই ডিএনএ পরীক্ষায় অসামঞ্জস্য খুঁজে পায়। এর পর নতুন করে তদন্ত শুরু হলে শেষ পর্যন্ত রাসেল হোসেন শেখকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেই সে তরীকে ধর্ষণ ও হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

অবশেষে ধরা পড়লো শিশু তরীর খুনি

সর্বশেষ আপডেট ১২:১৪:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রামে শিশু হত্যার ধারাবাহিক ঘটনাগুলো একসময় সারাদেশে তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভের জন্ম দিয়েছিল। আরিয়ান, আয়াত, সুরমা, বর্ষার মতোই সেই তালিকায় ছিল আরেক শিশু-নুসরাত জাহান তরী। চার বছর পর অবশেষে তরী হত্যার রহস্য উদঘাটন হয়েছে।

শনিবার (৭ ডিসেম্বর) বিকেলে শিশু তরী হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার আসামি রাসেল হোসেন শেখ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু বক্কর সিদ্দিকের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

সন্ধ্যায় বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক মর্জিনা আক্তার মরজু।

২০২১ সালের ২৭ জুন চান্দগাঁও থানার বাহির সিগন্যাল মোড় এলাকায় নিজের বাসায় ৫ বছরের শিশু তরীকে রেখে কর্মস্থলে যান তার মা ফাতেমা বেগম। দুপুরে ফিরে তিনি খাটের নিচে সন্তানের লাশ দেখতে পান। ঘটনার দুই দিনের মাথায় ইমন নামে এক কিশোরকে পুলিশ গ্রেপ্তার করলেও পিবিআই ডিএনএ পরীক্ষায় অসামঞ্জস্য খুঁজে পায়। এর পর নতুন করে তদন্ত শুরু হলে শেষ পর্যন্ত রাসেল হোসেন শেখকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেই সে তরীকে ধর্ষণ ও হত্যার বিষয়টি স্বীকার করে।