ঢাকা ১২:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১১.৫ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত সরকারের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
  • / 139

দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে বড় পরিসরে আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চারটি পৃথক প্যাকেজের মাধ্যমে মোট ১১ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল সংগ্রহের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যার জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকা।

সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই প্রস্তাবগুলো অনুমোদন করা হয়। জুন থেকে আগস্ট ২০২৬ সময়ের জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্রের ভিত্তিতে এসব জ্বালানি তেল কেনা হবে বলে জানা গেছে।

প্যাকেজভিত্তিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রথম দুটি প্যাকেজে গ্যাস অয়েল ও জেট এ-১ আমদানি করা হবে। এর মধ্যে একটি অংশ আসবে সিঙ্গাপুরভিত্তিক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থেকে, অন্যটি ভিটল এশিয়া থেকে। প্রতিটি চুক্তি প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়।

তৃতীয় প্যাকেজে ফার্নেস অয়েল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা ট্রাফিগুরা নামের একটি আন্তর্জাতিক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সরবরাহ করবে। চতুর্থ প্যাকেজে গ্যাসোলিন-৯৫ আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যেখানে আবারও ভিটল এশিয়া সরবরাহকারী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।

বৈঠকে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা জানান, প্রতিটি প্যাকেজেই একাধিক প্রতিষ্ঠান দরপত্র জমা দিলেও কারিগরি ও আর্থিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে সর্বনিম্ন ও গ্রহণযোগ্য দরদাতাকেই চূড়ান্ত করা হয়েছে।

সূত্রগুলো আরও জানায়, আগের সময়ের তুলনায় বিভিন্ন জ্বালানি পণ্যের আন্তর্জাতিক প্রিমিয়াম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে, যা সামগ্রিক আমদানি ব্যয়ে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তবুও নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

১১.৫ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত সরকারের

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৭:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

দেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণে বড় পরিসরে আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চারটি পৃথক প্যাকেজের মাধ্যমে মোট ১১ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল সংগ্রহের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যার জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকা।

সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই প্রস্তাবগুলো অনুমোদন করা হয়। জুন থেকে আগস্ট ২০২৬ সময়ের জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্রের ভিত্তিতে এসব জ্বালানি তেল কেনা হবে বলে জানা গেছে।

প্যাকেজভিত্তিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রথম দুটি প্যাকেজে গ্যাস অয়েল ও জেট এ-১ আমদানি করা হবে। এর মধ্যে একটি অংশ আসবে সিঙ্গাপুরভিত্তিক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থেকে, অন্যটি ভিটল এশিয়া থেকে। প্রতিটি চুক্তি প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়।

তৃতীয় প্যাকেজে ফার্নেস অয়েল আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা ট্রাফিগুরা নামের একটি আন্তর্জাতিক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সরবরাহ করবে। চতুর্থ প্যাকেজে গ্যাসোলিন-৯৫ আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যেখানে আবারও ভিটল এশিয়া সরবরাহকারী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে।

বৈঠকে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা জানান, প্রতিটি প্যাকেজেই একাধিক প্রতিষ্ঠান দরপত্র জমা দিলেও কারিগরি ও আর্থিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে সর্বনিম্ন ও গ্রহণযোগ্য দরদাতাকেই চূড়ান্ত করা হয়েছে।

সূত্রগুলো আরও জানায়, আগের সময়ের তুলনায় বিভিন্ন জ্বালানি পণ্যের আন্তর্জাতিক প্রিমিয়াম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে, যা সামগ্রিক আমদানি ব্যয়ে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। তবুও নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার।