ঢাকা ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে পতন: প্রতি আউন্স ৪৬৭৮ ডলার

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৫৬:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
  • / 33

স্বর্ণের দামে পতন

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনায় অচলাবস্থা এবং তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে বড় ধরনের স্বর্ণের দামে পতন ঘটেছে।

সোমবার (১১ মে) স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে। মূলত উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কায় সুদের হার দীর্ঘ সময় চড়া থাকার সম্ভাবনায় বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণের বদলে নগদ ডলার ও জ্বালানির দিকে ঝুঁকছেন।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার স্পট গোল্ডের বাজারমূল্য আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৬৭৮.৩৯ ডলারে নেমে এসেছে। অন্যদিকে, জুন মাসের ডেলিভারির জন্য ফিউচার মার্কেটেও বড় ধরনের স্বর্ণের দামে পতন দেখা গেছে।

মূলত ডলারের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় অন্যান্য মুদ্রার বিনিয়োগকারীদের জন্য স্বর্ণ কেনা ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। শান্তি চুক্তির আশা ক্ষীণ হওয়ায় অপরিশোধিত তেলের দাম আবারও চড়তে শুরু করেছে, যা পরোক্ষভাবে স্বর্ণের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার জানান, হরমুজ প্রণালি কার্যত অচল থাকায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ সীমিত হয়েছে।

তেলের দাম বাড়লে মুদ্রাস্ফীতি বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়, যা সুদের হার দীর্ঘ সময় উচ্চ রাখার সম্ভাবনা বাড়ায়। যদিও স্বর্ণকে মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে নিরাপদ সম্পদ ধরা হয়, তবে উচ্চ সুদের হার এই অ-ফলনশীল ধাতুর আকর্ষণ কমিয়ে দেয়। মূলত এই কারণেই আন্তর্জাতিক বাজারে ধারাবাহিক স্বর্ণের দামে পতন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে বিশ্বের শীর্ষ ব্যবহারকারী দেশ চীনে স্বর্ণের উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে। নিরাপত্তা পরিদর্শনের কারণে অনেক খনি সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা বজায় থাকলে স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৪০০ থেকে ৪ হাজার ৮০০ ডলারের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে। পরিশেষে বলা যায়, স্বর্ণের দামে পতন ঘটলেও রুপার বাজারে সামান্য ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে পতন: প্রতি আউন্স ৪৬৭৮ ডলার

সর্বশেষ আপডেট ১২:৫৬:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনায় অচলাবস্থা এবং তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে বড় ধরনের স্বর্ণের দামে পতন ঘটেছে।

সোমবার (১১ মে) স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে। মূলত উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কায় সুদের হার দীর্ঘ সময় চড়া থাকার সম্ভাবনায় বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণের বদলে নগদ ডলার ও জ্বালানির দিকে ঝুঁকছেন।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার স্পট গোল্ডের বাজারমূল্য আউন্সপ্রতি ৪ হাজার ৬৭৮.৩৯ ডলারে নেমে এসেছে। অন্যদিকে, জুন মাসের ডেলিভারির জন্য ফিউচার মার্কেটেও বড় ধরনের স্বর্ণের দামে পতন দেখা গেছে।

মূলত ডলারের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় অন্যান্য মুদ্রার বিনিয়োগকারীদের জন্য স্বর্ণ কেনা ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। শান্তি চুক্তির আশা ক্ষীণ হওয়ায় অপরিশোধিত তেলের দাম আবারও চড়তে শুরু করেছে, যা পরোক্ষভাবে স্বর্ণের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার জানান, হরমুজ প্রণালি কার্যত অচল থাকায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ সীমিত হয়েছে।

তেলের দাম বাড়লে মুদ্রাস্ফীতি বাড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়, যা সুদের হার দীর্ঘ সময় উচ্চ রাখার সম্ভাবনা বাড়ায়। যদিও স্বর্ণকে মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে নিরাপদ সম্পদ ধরা হয়, তবে উচ্চ সুদের হার এই অ-ফলনশীল ধাতুর আকর্ষণ কমিয়ে দেয়। মূলত এই কারণেই আন্তর্জাতিক বাজারে ধারাবাহিক স্বর্ণের দামে পতন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে বিশ্বের শীর্ষ ব্যবহারকারী দেশ চীনে স্বর্ণের উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে। নিরাপত্তা পরিদর্শনের কারণে অনেক খনি সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা বজায় থাকলে স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৪০০ থেকে ৪ হাজার ৮০০ ডলারের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে। পরিশেষে বলা যায়, স্বর্ণের দামে পতন ঘটলেও রুপার বাজারে সামান্য ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।